× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

বরিশালে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদ- দিয়েছে বরিশালের একটি আদালত। মঙ্গলবার আসামির উপস্থিতিতে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আদিব আলী এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডিত সোহরাব হোসেন আকন (৩৫) বরিশালের মুলাদী উপজেলার তয়কা গ্রামের মৃত লাল মিয়া আকনের ছেলে।

মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওয়াহিদ উদ্দিন মো. সবুজ জানান, সোহরাব চুরি-ডাকাতিসহ বেশ কয়েকটি মামলার আসামি। তাই গ্রেপ্তার এড়াতে একই উপজেলার টুমচর গ্রামের আলী হাওলাদারের বাড়িতে প্রায়ই অবস্থান করতেন। ওই বাড়িতে আসা-যাওয়ার ফলে আলী হাওলাদারের মেয়ে মিলি বেগমের (২৬) সঙ্গে সোহরাবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মিলি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

ওয়াহিদ উদ্দিন জানান, তবে, সোহরাবের স্ত্রী ও মা বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু স্থানীয়দের চাপে মিলিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন তিনি। তিনি জানান, ২০০৭ সালের ২০ অক্টোবর চিকিৎসার কথা বলে মিলিকে ঢাকা নিয়ে যান সোহবার। ২২ অক্টোবর বাড়ি ফেরার কথা বলে মিলিকে নিয়ে লঞ্চে ওঠেন সোহরাব। গভীর রাতে সোহরাব মিলিকে লঞ্চ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন মেঘনা নদীতে। ওই সময় মিলি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ আরও জানান, এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ৫ মে বরিশালের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে একটি অপহরণ মামলা করেন মিলির ছোট বোন মিনি বেগম। মামলায় সোহরাব হোসেন, তার স্ত্রী বিলকিস বেগম ও মা আজিতুন্নেছাকে আসামি করা হয়। একই বছরের ২ অগাস্ট সোহরাবকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং মিলিকে লঞ্চ থেকে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন সোহরাব। তবে, মিলিকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি বলে জানান ওয়াহিদ। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে ১ নভেম্বর সোহরাবের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন। ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে মৃত্যুদন্ড দেয় আদালত।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..