× Banner
সর্বশেষ
পাক-অধিকৃত কাশ্মিরে নির্বাচন বর্জন ঘিরে সংঘর্ষ, বহু হতাহতের দাবি দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত আজ শ্রীশ্রীব্যাস পূজা ও গুরুপুর্ণিমা, জেনে নিন কেন গুরুপুর্ণিমা আজ বুধবার (২৯ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে তা বেশ কৌতুহলের আজ ২৯ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

প্রেমিক জুটির সুখ-দুঃখের স্বাক্ষী বলুহর বাওড়ের অমরেশ মাঝি

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ৩০ সেপ্টেম্বর’২০১৬ঃ ‘প্রায় ৩০বছর ধরে নৌকা বাইতে গিয়ে কত প্রেমিক যুগলের প্রেমের গল্প শুনেছি।  নানান মানুষের প্রেম বিরহের স্বাক্ষি আমি, আমার নৌকা আর এই বলুহর বাওড়। অনেক বছর পরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আবারও এসেছে তাদের অনেকে, বখসিশ দিয়েছে, নতুন জীবনের গল্প শুনিয়েছে। একা এসেছেন অনেকে, স্মৃতি বিজড়িত স্থান ঘুরে সামান্য প্রশান্তি পেতে,  শুনিয়েছেন কষ্টের কথা।’ বৈঠা বাইতে বাইতে কথা বলে চলেন অমরেশ মাঝি।

প্রেমিক জুটির সুখ-দুঃখের স্বাক্ষি  অমরেশ মাঝির প্রাপ্তি অনেক এই বাওড় থেকে। বাওড় তাকে দিয়েছে অর্থ সম্মান ও ইজ্জত। তাই ৭০বছর বয়সেও নৌকা বাইছে এখনও। শুধু অমরেশ মাঝিই নয় তার মতো নিতাই, হরেন সমরেশসহ অনেক মাঝির  স্বচ্ছলতা এনে দিয়েছে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর বাওড়। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত তারা বাওড়ে জাল পেতে ছোট ছোট মাছ ধরে বিক্রি করেন। বিকেলে নৌকা বেয়ে যা আয়  করেন তা দিয়ে ভালোভাবেই সংসার চলে যায়।

অমরেশ জানান, বলুহর প্রোজেক্ট ঘাট থেকে নৌকা বেয়ে বাওড়ের পশ্চিম তীর কাগমারি ঘাটে যাত্রী পারাপার করেন। ‘যাত্রী পারাপার থেকে বেশি আয় হয় না। তবে বেড়াতে  আসা লোকজন  ঘন্টা চুক্তিতে বাওড় ঘোরে। এতে ভালো পয়সা পাওয়া যায়।’ জানান, অমরেশ মাঝি।  প্রতিদিন নৌকা বেয়ে দেড়’শ থেকে দুই’শ টাকা আয় হলেও উৎসবের দিনে আয় হাজার টাকাও ছাড়িয়ে যায়। তিনি জানান, একটি নতুন নৌকা তৈরী করতে প্রায় ২৫হাজার টাকা খরচ হয়।

নতুন নৌকা ৭ থেকে ৮বছর  ভালো থাকে। অমরেশ মাঝির চাওয়া বলুহর বাওড় টিকে থাকুক হাজার বছর, থাকুক দখলমূক্ত ও দূষণমূক্ত। তাহলে বাচঁবে হালদা সম্প্রদায়ের মানুষ। যান্ত্রিক জীবনে ব্যস্তময়  মানুষেরাও পাবে পরম প্রশান্তি। প্রকৃতিক সৌন্দয্যে ভরপুর বলুহর বাওড় অঞ্চলকে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় আরো সৌন্দয্য মন্ডিত করে পর্যটন অঞ্চলে পরিণত করার দাবী বাওড় অঞ্চলবাসির।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..