× Banner
সর্বশেষ
জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের পোর্টফোলিও থেকে প্রথম সফল এক্সিট সম্পন্ন করল পালসটেক লিমিটেড পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণেই জ্বালানি খাতে বর্তমান সংকট – বাণিজ্যমন্ত্রী শক্তিশালী হলেও অপরাধীদের বিচার হবেই – প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব – ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার – মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশের পথচলা শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে – অধ্যাপক ইউনূস জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে – তথ্যমন্ত্রী

২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

“পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশে ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ সবল জাতি চাই, পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নাই’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

বর্তমান সরকার দেশের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টিকর খাদ্য ও নিরাপদ খাদ্যমান নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আমরা ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন এবং ২০১৫ সালে ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠা করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়গুলো জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টে গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। এর সঙ্গে সংগতি রেখে সরকার ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টে জনগণের নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় কাউকে পিছনে ফেলে নয় বরং সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এ জন্য আমাদের প্রয়োজন সুস্থ জীবন ও সুস্থ সবল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

তাই আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্যের কোন বিকল্প নেই।
আমি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্যশৃঙ্খলা প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
আমি ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..