× Banner
সর্বশেষ
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অংশগ্রহণ হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু, নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ বছরের নিচে হজে মানা ঢামেক হাসপাতাল চত্বরে ২ নারীর লাশ উদ্ধার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়লো দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করা হচ্ছে এইচ-১বি ভিসায় বড় ধাক্কা? যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর নতুন ভিসা স্থগিতের বিল, কী পরিবর্তন আসতে পারে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু দরজায় চিরকুট টাঙিয়ে অগোচরে জন্মস্থান ছাড়লেন স্কালোনি ভারতে পরীক্ষা সংস্কারে টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা মোদির

পাটকেলঘাটায় জলাবদ্ধতার কবলে বাড়ি ঘর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নাকাল জনজীবন

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০১৬

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ পাটকেলঘাটায় জলাবদ্ধতার কবলে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি। শ্রাবণের বাদল ঝরা দিন শেষ হতে না হতেই ভাদ্রের বর্ষণে জনজীবন একেবারেই স্থবির হয়ে পড়েছে।

গত রবিবার প্রায় ২৪ ঘন্টারও অধিক সময় ধরে একটানা অতিবর্ষণের কবলে গ্রামবাংলার পথঘাট, কাচা, পাকা, আধাপাকা ঘরবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এদিকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের কারণে তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলা, ভেসে গেছে পুকুর ও ঘের। পাটকেলঘাটার গ্রামগুলোতে দেখা দিয়েছে প্লাবন। অধিকাংশ ঘরবাড়ি জলাবদ্ধতার কবলে পড়ায় পানি বন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।

মাহমুদ গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, এ বছর একটি ঘেরে প্রায় ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি। বৃষ্টিপাতের যে চাপ তাতে পানি ছাপিয়ে গেলে একেবারে সর্বশান্ত হয়ে যাবো। সরেজমিনে দেখা গেছে, থানার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জলাবদ্ধতার কবলে।

রাঢ়ীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমিরা বালিকা বিদ্যালয় সহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে হাটু পানিতে নিমজ্জিত। বাড়ির আঙিনা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিনাতিপাত করছে খেটে খাওয়া সাধারন মানুষগুলো। একদিন শ্রম না দিলে যাদের পেটে আহার জোটে না তারা পড়েছেন মহাবিপাকে।

কুমিরা গ্রামের মোকাম সরদার জানান, এতো বর্ষায় কেউ কাজে নিতে চাই না। এভাবে আবহাওয়া চলতে থাকলে পেটে পাথর বাধা ছাড়া উপায় থাকবে না।

জানা যায়, এখানকার প্রধান ফসল পান চাষ হওয়ায় জীবিকার খুব একটা কষ্ট হয় না। কিন্তু গেল বৃষ্টিতে অনেকের বরজ পানিতে তলিয়ে গেছে। আবার অনেকের ক্ষেত মাটিতে শুয়ে পড়েছে। কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ গোলাম ভরাক্রান্ত মনে জানান, অতি বর্ষণের কবলে আমার ইউনিয়নের বাসিন্দারা অনেকে পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি পানির ভেতর বসবাস করছি। দিনভর খেটে খাওয়া মানুষগুলোর একটু খোজ নেওয়ার চেষ্টা করছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..