× Banner
সর্বশেষ
ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর প্রথমবার সরাসরি গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা: ৫ আগস্ট বক্তব্য দেওয়ার ঘোষণা “জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা দেশের মালিক নন, জনগণের সেবক” : ভূমি প্রতিমন্ত্রী আজ ৩ আগস্ট (১৭ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ সোমবার (৩ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানিতে বাংলাদেশের আগ্রহ, দ্বিপাক্ষিক জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ ভক্তদের তুমুল সমর্থন, যে কারণে গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ালো বিটিএস শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক অভিযুক্ত ‘হ্যালো ডিসি’তে আবেদন, সেলাই মেশিন পেলেন দোহারের ১৪ দুস্থ নারী পর্যটন খাত হবে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি – মন্ত্রী জুলাই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে – মাহদী আমিন

নড়াইলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খেজুর সন্ন্যাসী পূজা

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

উৎসবমুখর পরিবেশ ও ভিন্নধর্মী আমেজের মধ্য দিয়ে নড়াইলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খেজুর সন্ন্যাসী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নড়াইলের বিভিন্ন গ্রামসহ এলাকায় ‘খেজুরের কাঁদি’ পাড়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ন্যাসীরা তন্ত্র-মন্ত্র ও বন্দনার মাধ্যমে খালি পায়ে খেজুর গাছের চূড়ায় উঠে অক্ষত অবস্থায় খেজুর নিয়ে নিচে নেমে আসেন। তন্ত্র-মন্ত্রের কারণে কাঁটা ফোটে না এমনই বিশ্বাস তাদের।গ্রাম বাংলার এই খেজুর সন্ন্যাসী পূজা ঘিরে এ এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের আমেজ সৃষ্টি হয়। নড়াইলের বিভিন গ্রামের সন্ন্যাসীরা, নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে, জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছরের চৈত্র মাসের শেষ দিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ পূজা-অর্চনা করে থাকেন।

একটি খেজুর গাছকে ঘিরে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে একটি খেজুর গাছের চারিদিকে ১০/১২ জন সন্ন্যাসী ঢাক-ঢোলের তালে তালে ঘুরতে থাকেন। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এবার আমাদের এলাকায় খেজুর সন্ন্যাসীর সংখ্যা বেশি। ৩০ জন সন্ন্যাসী এবার এই পূজায় অংশগ্রহন করবে। তারা পড়তে থাকেন বিভিন্ন মন্ত্র-তন্ত্র। ঘুরতে ঘুরতে এক সময় দ্রুত গতিতে খেজুর গাছ বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করেন।

একটি খেজুরগাছে অন্তত ৫/৬ জন সন্ন্যাসী খেজুরের কাঁদি পাড়তে গাছে ওঠেন। পুণ্যের আশায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এই খেজুর সন্ন্যাসী পূজা করে থাকেন। এই খেজুর খেলেও পুণ্য হয়। সেই আশায় গাছ থেকে খেজুর পাড়ার পর কাঁচা খেজুর অনেকে খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার বাড়িতে নিয়ে ঘরে রেখে দেন। খেজুর সন্ন্যাসী পূজা ঘিরে পরের দিন সকাল থেকে মেলার আয়োজন করা হয়। মেলা শেষে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..