× Banner
সর্বশেষ
জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরাকে ৮ সেনা নিহত বেনাপোলে ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক বেনাপোলে জোরদার নির্বাচনী গণসংযোগ: জনতার দোয়ার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক ইমদাদ পাক-অধিকৃত কাশ্মিরে নির্বাচন বর্জন ঘিরে সংঘর্ষ, বহু হতাহতের দাবি

নিজ শিশুকন্যাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করল সৌদি ধর্মপ্রচারক !

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সৌদি আরবের সরকার ইসলামি শরীয়তের আইন অনুযায়ী এই খুনি ও ধর্ষক পিতাকে দোষী সাব্যস্ত করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিজের পাঁচ বছর বয়সী শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর ভয়াবহ নির্যাতন করে হত্যা করেছে এক ধর্মপ্রচারক! চমকে দেয়ার মত এই খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা অনলাইন। কিন্তু এই ভয়াবহ অপরাধের পরও শুধু ‘ব্লাড মানি’ পরিশোধ করে ছাড়া পেয়ে যান সেই পিতা।

আল জাজিরা জানায়, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করা শিশুটির নাম লামিয়া। তার বয়স মাত্র পাঁচ বছর।

লামিয়ার বাবা ফায়হান আল ঘামদি একজন সৌদি ইসলামিক স্কলার। বিভিন্ন টকশোতে তিনি ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

গত বছরের অক্টোবরে নিজ কন্যা লামিয়াকে ধর্ষণ করার পর ফারহান আলী মাথার খুলি, পিঠ, পাঁজর, বাঁ-হাত ভেঙ্গে দেয়।

পুরো শরীরজুড়ে অসংখ্য জখম আর নির্যাতনের ফলে কালো দাগ হয়ে গিয়েছিল।লামিয়ার মলদ্বার ও যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

এত নির্যাতন করার পরও শিশুটিকে সে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্ঠা করে। শিশুটিকে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন যে লামিয়া ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটির উপর নির্যাতনের ভয়াবহতা দেখে ডাক্তাররা অবাক হয়ে যান।

সৌদি আরবের সরকার ইসলামি শরীয়তের আইন অনুযায়ী এই খুনি ও ধর্ষক পিতাকে দোষী সাব্যস্ত করে। না তার জেল বা ফাঁসি কিছুই হয়নি।

পাঁচ বছর বয়সী নিজ কন্যাকে ধর্ষণ এবং নির্যাতন করে হত্যার সাজা হিসেবে তাকে “ব্লাড মানি” হিসেবে লামিয়ার মা’কে প্রায় সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েই সে মুক্তি পায়।

এদিকে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের পর নির্মম ভাবে নির্যাতন চালিয়ে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয়ার শাস্তি মাত্র সামান্য কিছু টাকা হওয়ায় সারা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

কারণ একজন ধনী সৌদি ব্যক্তির কাছে ৩৭- ৩৮ লাখ টাকা খুবই সামান্য। আর অবশ্যই তা এহেন অপরাধের সাজা হিসেবে খুবই নগন্য। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের সকল বিচার কার্য ইসলামি শরীয়া আইন অনুযায়ী হয়ে থাকে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..