নভেম্বরের পর আর দেবে না করোনা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টীকা

নভেম্বরের পর আর দেবে না করোনা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টীকা

করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২২ সালের জুনের মধ্যে কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আনার কথা বলেছিল। জুন মাস শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নভেম্বরের পর থেকে দেবে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে সরকার শুধু বুস্টার বা তৃতীয় ডোজের টিকা দেবে। এর বাইরে শুধু টিকা পাবে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুরা।

আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব শামসুল হক এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে এখনও প্রায় দেড় কোটি টিকা মজুত আছে। যার মেয়াদ নভেম্বরে শেষ হবে। নভেম্বরের পর আর ব্যবহার করা যাবে না। ওই সময়ের পর চাইলেও প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবে না কেউ। এ ছাড়া নতুন করে টিকা কেনার সম্ভাবনাও কম।

স্বাস্থ্য বিভাগ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া শুরু করে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে প্রতিদিন টিকা দেওয়া হচ্ছে। তারপরও ১২ বছরের বেশি বয়সী ৩৩ লাখ মানুষ এখনও প্রথম ডোজ টিকা নেননি। এ ছাড়া প্রথম ডোজ পাওয়া ৯৪ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেননি।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৩ লাখ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যার ৭৬ শতাংশ করোনার টিকার প্রথম ডোজ এবং ৭১ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে। আর ২৩ শতাংশ পেয়েছে বুস্টার ডোজ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।