× Banner
সর্বশেষ
ডেভিড ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন উত্তোলন, অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের ১২ ঘণ্টা পর নারীর মরদেহ উত্তোলন বেনাপোল পৌর ভোটে ইমদাদুল হক ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্নো ভিডিও বানিয়ে ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে দুই নারীসহ কারাগারে ৪ ডিএমপির অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ৭০ প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের নতুন তারিখ ১ অক্টোবর প্রাইভেটকারে তল্লাশি, ১৬ হাজার ইয়াবা ও দুই নারীসহ আটক ৪ কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি

ডেস্ক

নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে গ্রামের বাড়িঘর

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪
প্রবল বন্যায় মৃত্যু

দেশের বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে উজানের দিকে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও ভাটির দিকে আবার বেড়েছে। ময়মনসিংহের তিন উপজেলায় এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ পানিবন্দি। নেত্রকোনায় গতকালও ভারি বৃষ্টি হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে গ্রামের বাড়িঘর

 হালুয়াঘাট, ফুলপুর ও ধোবাউড়া উপজেলায় এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ পানিবন্দি। সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুর্গত এলাকায় খাদ্য সহায়তাসহ নানাভাবে সহযোগিতা করছে।হালুয়াঘাটে পৌর এলাকার পানি অনেকটাই নেমে গেছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে মাটির ঘর ধসে পড়ায় অনেকেই গৃহহীন হয়ে পড়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদুল আহমেদ বলেন, ‘বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি

ফুলপুরে বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়িঘরে পানি ঢুকছে। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতির আরো অবনতির আশঙ্কা করছে বাসিন্দারা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া ত্রাণসামগ্রী দ্রুত দুর্গত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তবে পানির স্রোতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় যেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।

ধোবাউড়া উপজেলায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ভারি বৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন বলেন, ‘হালুয়াঘাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু ফুলপুরে পানি বাড়ছে। ধোবাউড়ায় উঁচু এলাকায় পানি কমলেও নিচু এলাকায় বাড়ছে।’

বগুড়ার সারিয়াকান্দির বাঙালি নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের ভাঙনে ২০টি বাড়ি ও বসতভিটা এবং ৫০০ বিঘা ফসলি জমি বাঙালি নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে চান্দিনা নোয়ারপাড়া গ্রামের আরো পাঁচ হাজার মানুষ এবং দুই গ্রামের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল।

গতকাল চান্দিনা নোয়ারপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঙালি নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে। এই গ্রামের ইন্দ্র, সূর্য, প্রভাত, চন্দ্র, গৌর, দিনেশ, সুবল, নিমাইসহ প্রায় ২৫টি পরিবারের বসতভিটা বিলীন হয়েছে বাঙালি নদীতে। এখন তারা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..