ফতুল্লায় ধর্ষণ চেষ্টা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মলিনা বেগমের সাংবাদিক সম্মেলন
সোমবার ২১ ডিসেম্বর সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি (ক্র্যাব) মিলনায়তন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সমাজের জন্য আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব আফরীন জাহান লাকী। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় মলিনা বেগম পিতা: ময়েজ উদ্দিন, মাতা: শিরিন বেগম, স্বামী: আজহারুল ইসলাম, মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ।সে বিগত ২৫/২৬ বছর আগে জীবন জীবিকার তাগিতে স্বামীসহ নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা এলাকয় এসে ভাড়া বাড়িতে থেকে শ্রমিকের কাজ করতে থাকে। ১০ বছর আগে স্বামী অন্য নারীর প্রতি আসক্ত হয়ে ২য় বিয়ে করে মলিনাকে ছেড়ে অন্যত্র সংসার করে।
এই পরিস্থিতে বিপাকে পড়ে যায় মলিনা বেগম। তখন সে সন্তানদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার জন্য নিজেই দিন মুজুরের কাজ বেছে নেয়। সে বর্তমানে ফতুল্লা পোষ্ট অফিস রোড়ের সরদার বাড়ির কমাল উদ্দিন আহম্মেদ দায়েমীর ঘরে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করে পাশাপাশি পাথর ভাঙ্গা, জাহাজ থেকে পাথর ও বালু নামানোসহ বিভিন্ন কাজ করে।
মাদকসেবী শাওন পিতা: মোঃ মিরাজ হোসেন, সাং- তক্কার মাঠ, থানা: ফতুল্লা, জেলা: নারায়নগঞ্জ, সে স্থানীয় সন্ত্রাসী রিয়াদ বাহিনীর সদস্য। শাওন পরিত্যক্ত রেইনভো ডাইং কারখানার ভিতরে অন্যান্য মাদকসেবী বন্ধুদের নিয়ে নিয়মিত আড্ডা দেয়, মাদক সেবন ও বিক্রয় করে।
গত ১৩ ডিসেম্বর শাওন সুযোগ বুঝে মলিনার বাসার বাথরুমে ঢুকে থাকে।
রাত ১২টার সময় মালিনা টয়লেটে গেলে শাওন তাকে ঝাপটে ধরে ধর্ষনের উদ্যেশে মাটিতে ফেলে দস্তাদস্তি করে। এ অবস্থায় মলিনার ডাক চিৎকারে আশে পাশে লোক আসলে শাওন ভয়-ভীতি দেখিয়ে দ্রত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।পরে মলিনা বিষয়টি তার বাড়ির মালিক কামাল উদ্দিন আহম্মেদ দায়েমী ও আশপাশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানিয়ে বিচার দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয় নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, মাসুম ও রাসেল গংদের ক্যাডার বাহিনী এমনি বহু নারী নির্যাতন ও ধর্ষনের ঘটনায় জড়িত। মলিনা বলেন, লম্পট শাওন কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে সে অপমানিত ও লজ্জিত। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে প্রসাশনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করছে।


