× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

দুর্গাপুজোর বিসর্জনের দিনক্ষণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ঠিক করার কে, টুইটারে সরব বাবুল

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

প্রতিবেশী ডেস্কঃ মহরমের জন্য দুর্গাপুজোর বিসর্জন স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে বিভেদের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাষাতেই মমতাকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। বিসর্জনের দিনক্ষণ মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করার কে, সওয়াল করেছেন বাবুল। প্রসঙ্গত, ৩০ সেপ্টেম্বর মহরমের জন্য সন্ধে ৬টা থেকে পরদিন ১ অক্টোবর দুর্গাপুজোর বিসর্জন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতেই চটেছে বিজেপি এবং সংঘ পরিবার। গেরুয়া শিবির মামলার পথে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। বাবুলের বক্তব্য, মানুষ তাঁর নিজ নিজ ধর্ম নিজের মতো করে পালন করবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাবুল। তারপর একের এক পালটা টুইটে ভরে গিয়েছে তাঁর অ্যাকাউন্ট। মমতার সিদ্ধান্তকে বিভেদের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। বাবুল এও বলেছেন, মুসলিম তোষণের জন্যই এমন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শহরের সমস্ত পুজো কমিটি ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকের পর তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী জানান, দশমীর দিন সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বিসর্জন পর্ব চলতে পারে। তবে একাদশীর দিন কোনও পুজো কমিটি প্রতিমা নিরঞ্জন করতে পারবে না। কারণ, ওই দিন মহরম। তাই সেদিন প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। যদিও শুধু একদিন নয়, প্রতিমা নিরঞ্জনের অবকাশ থাকছে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন পর্যন্ত। প্রতি বছরের মতো এবছরও গঙ্গার ঘাটগুলিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। পুজো কমিটির প্রতিনিধি ও পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে মমতা জোর দেন নিরাপত্তা ইস্যুতে। পুজোর মধ্যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না হয়, সেদিকে সদা সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। প্রত্যেককে এই দুর্গাপুজোর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আহ্বান করেন সর্বধর্ম সমন্বয়ের।

কিন্তু একাদশীতে বিসর্জন স্থগিত রাখার বিষয়টি ভাল চোখে দেখছে না সংঘ পরিবার। বারবার তারা মমতার বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতির অভিযোগ তুলে আসছে। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় টুইটারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবং তাঁর পক্ষেই নেটিজেনরা তুলোধোনা করছে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে। বাবুলের অভিযোগ, কীভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিংসার দোহাই দিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে নাক গলাতে পারেন? তাঁর মতে, গতবছরও একই কাজ করেছিল রাজ্য সরকার। এবারও একই ভুল করতে চলেছে বলে দাবি করেছেন বাবুল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..