× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় বনানী থানার অবহেলা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১২ মে, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বনানী থানা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নিতে বিলম্ব করা ও কর্তব্য পালনে পুলিশের অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) কৃষ্ণপদ রায়।

ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণপদ বলেন, তিন সদস্যের এই কমিটিতে প্রধান করা হয়েছে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)। অন্য দুজন হলেন ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার ও ডিএমপির যুগ্ম কমিশনারকে (অপরাধ)।

সংবাদ স্মমেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘ওই ঘটনায় ভিডিও ধারণ বা তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়গুলো মাথায় রেখে তদন্ত চলছে। আর এই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় আমরা অন্য তথ্যগুলো পেয়ে যাব বলে আশা করছি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মামলাটি ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, ডিবি ও গুলশান পুলিশ ছায়া তদন্ত করেছে। পাশাপাশি তদন্ত সংস্থাগুলোর সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি সমন্বয় করছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)।

ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার আরো জানান, মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের বাইরে অন্য কেউ যুক্ত আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে যে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, সেই অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা করেন এক ছাত্রী। মামলার আসামিরা হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তাঁর বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটক রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে জোর করে ঘরে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার এবং বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তাঁর মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..