× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

তালপাতায় লেখা তিন শতাব্দী পুরোনো রায় সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
তালপাতায় লেখা তিন শতাব্দী পুরোনো রায় সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে

১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপি। ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। বিচার বিভাগের এমন অসংখ্য মূল্যবান দলিল, ব্যবহৃত সামগ্রী ও দুর্লভ আলোকচিত্র সংরক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘর।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরটি ধীরে ধীরে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, গবেষক ও সাধারণ মানুষের আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে বিচার বিভাগের নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল, পুরোনো আদালত কক্ষের ব্যবহার্য সামগ্রী, সাবেক প্রধান বিচারপতিদের আলোকচিত্র, ঐতিহাসিক রায়ের অনুলিপি এবং বিচারব্যবস্থার বিবর্তনের নানা তথ্যচিত্র এখানে সংরক্ষিত রয়েছে।

জাদুঘরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্রমবিকাশের ধারাবাহিক উপস্থাপন। ইতিহাসের নানা বাঁক পেরিয়ে গড়ে ওঠা বিচারব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্মারকগুলো সাজানো হয়েছে সময়ের ধারায়।

এসব সংগ্রহের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। রায়টি বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছিল। পরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে এটি সংগ্রহ করে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়।

হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপির পাশাপাশি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। রয়েছে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্ট ও ঢাকা হাইকোর্টের দেয়াল ঘড়ি। বিচারপতিদের ব্যবহৃত দোয়াত-কলম, ব্যান্ড, গাউন ও উইগও সংরক্ষিত আছে এখানে।

জাদুঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে রয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বিশিষ্ট বিচারকদের ব্যবহৃত গাউন, কলম, ফাইল, চশমা ও আসবাবপত্র। এসব সামগ্রী বিচার বিভাগের ঐতিহ্য ও গৌরবের নীরব সাক্ষী। এছাড়া বিভিন্ন সময়ের আদালত ভবনের ছবি, বিচারকদের শপথ অনুষ্ঠান এবং ঐতিহাসিক বিচার কার্যক্রমের আলোকচিত্রও প্রদর্শন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে বলেন, ‘আমাদের এই জাদুঘরটি বিচার বিভাগের ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আস্থা ও আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে নতুন আইনজীবী ও আইনের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারেন।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরটি ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন উদ্বোধন করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..