কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিতে তাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ। এতে অন্তত দুই শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ ও ছয় সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে ঢাবির ভিসি চত্বর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করায় আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছেন অন্তত পাঁচ সাংবাদিক। একইসঙ্গে গুলিবিদ্ধ হয়ে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী।
ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন আফসানা জুঁই ও আব্দুল হান্নান মাসুদ। তারা জানান, গায়েবানা জানাজা শেষে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কফিন মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাদের লক্ষ্য করে দুইদিক থেকে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।
এ ছাড়া আহত হয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ভাস্কর ভাদুড়ি, সময় টেলিভিশনের ভিডিও জানালিস্ট রতন মজুমদার, কালবেলা পত্রিকার আকরাম হোসেন ও জনি রায়হান, আলোকিত প্রতিদিনের ইমরান হোসেন ও ও নিউজ প্রভাতের নিজস্ব প্রতিবেদক হুমায়ুন আহমেদসহ আরও কয়েকজন।
ওই সময় নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক পুলিশ সদস্য।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ঢাবির ভিসি চত্ত্বর, টিএসসি, শাহবাগ, নীলক্ষতসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আহত অন্তত ৩৫ জন এসেছেন চিকিৎসা নিতে। আহতদের অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। বেশ কয়েকজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছে।





