× Banner
সর্বশেষ
ফিলিপাইনে শুরু ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের বৈঠক এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট নয়াদিল্লিতে ফের উত্তেজনা, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম, ব্রেন্ট ছাড়াল ৯৬ ডলার হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত আতঙ্কে দেশ, বাড়ছে শিশু ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া র পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চীনের ১ লাখ ডলার সহায়তা: বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৬ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সরকারী এম ইউ ডিগ্রী কলেজ পদত্যাগকৃত ৩ শিক্ষক পুনরায় অবৈধপন্থায় বহালের চেষ্টা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সরকারী মাহতাবউদ্দীন ডিগ্রী কলেজে পদত্যাগকৃত তিন শিক্ষক ৩ অবৈধভাবে পুনরায় স্বপদে বহালের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযোগে জানা গেছে, গত ২০১২ সালে প্রভাষক শামীমা পারভীন রাষ্ট্র বিজ্ঞান, ২০১১ সালে প্রভাষক সরাফত হোসেন পরিসংখ্যান ও ২০১২ সালে প্রভাষক বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে এম ইউ কলেজে যোগদান করেন।

যোগদানের পর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্য অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে ওঠে। সে সময়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানকে ম্যানেজ করে প্রভাষক শামীমা পারভিন ও বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, সরাফত হোসেন চট্রাগ্রাম হালি শহর ক্যাঃ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে যোগদান করেন। এবং তারা একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে বেতন ভাতা নিতেন। এনিয়ে জাতীয় বিভিন্ন পত্র প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ২০১৬ সালে তিন শিক্ষককে কলেজে পরিচালন পর্ষদের চাপের মুখোমুখি পড়তে হয়। অবশেষে অভিযুক্তরা অত্র কলেজের চাকুরী ছেড়ে দিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডলের নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়টি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে অবহিত করেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে ১৭ আগস্ট পরিচলন পর্ষদের এক সভায় তিন শিক্ষকের পদত্যাগ পত্র গৃহিত হয়। কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট কলেজটি সরকারিকরন হওয়ায় উক্ত তিন শিক্ষক পুনরায় স্ব পদে বহাল হতে বিভিন্ন মহলে চেষ্টা তদবির করে যাচ্ছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে একটি মহল মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পদত্যাগ পত্র গ্রহনের রেজুলেশন তথ্য গোপন করে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নিকট দেনদরবার করে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল ওই তিন শিক্ষকের আগেই পদত্যাগ করেছিল বলে স্বীকার করে বলেন, পুনরায় স্ব পদে বহাল রাখার কোন সুযোগ আছে কি না তার জানা নেই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..