× Banner
সর্বশেষ
খাল খননের উদ্বৃত্ত ৬১ লাখ টাকা কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে দুই সিটির কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর নির্দেশ ফেসবুকে প্রেম, নেত্রকোনায় এসে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে – নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘দেশকে এগিয়ে নিতে দৈনিক ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী’ এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে – নাহিদ ইসলাম খাদ্য নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় এগিয়ে নিতে হবে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রম – পরিবেশমন্ত্রী ইউআইইউতে প্রাইম ব্যাংকের “এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০” অনুষ্ঠিত

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

ঝিকরগাছায় মা-ছেলের মৃত্যু : অভিমানে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে নানা প্রশ্ন

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
ঝিকরগাছায় মা-ছেলের মৃত্যু : অভিমানে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে নানা প্রশ্ন

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে দেড় বছর বয়সী শিশুসন্তানসহ এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ শরীফপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে রেবেকা খাতুন (২৬) ও তার দেড় বছর বয়সী ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে। রেবেকা ওই গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, মা ও শিশুর মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেবেকা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ এবং স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন। ঘটনার সময় তাদের বড় মেয়ে জুঁই খাতুন (১০) বিদ্যালয়ে থাকায় সে অক্ষত রয়েছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রেবেকার মৃত্যুর পেছনে রহস্য রয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে প্রতিবেশীদের একটি অংশের ধারণা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী জনি মিয়াকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, “প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।” মা ও শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় শরীফপুর গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..