ছেলেকে জিম্মি করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল

আনোয়ারা উপজেলা তথা পুরো চট্টগ্রামের একজন স্বনামধন্য পন্ডিত নিরঞ্জন পন্ডিত। সু-পন্ডিত হিসাবে সবাই একনামে চিনেন। ধর্মীয় শিক্ষক হিসাবে আনোয়ার স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি বর্তমানে বার্ধ্যক জনিত রোগে শয্যাশায়ী। তার বর্তমান বয়স ৯৮ বছর।নিরঞ্জন পন্ডিতের এক ছেলে তিনি হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন।

গত ০৭.০৪.১৯ ইং তারিখে রাতের অন্ধকারে ছেলেকে জিম্মি করে আনোয়ারার কূখ্যাত ভূমি দস্যু (কামরুল ইসলাম হেলাল) ও (সিন্ডিকেটের দলবল সহ রেজিষ্টার অফিসের লোক এনে সহায় সম্পত্তি,বাড়ী ও কালী মন্দির লিখিয়ে নিয়ে পুরো পরিবারকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নেইমলেট লাগিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন কূল কিনারা করতে পারেননি তিনি।

পুলিশ প্রশাসন মন্ত্রীর হুকুম ও মানছেন না। প্রশাসন  নিঃসাড় ভূমিকায় অবতীর্ন তাই একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে নিরঞ্জন পন্ডিত ও তার ছেলে জনগনকে তথা সরকারকে বিষয়টি জানানোর প্রয়োজন মনে করছেন। পুরো বিষয়টির জন্য তিনি এ সমাজের লোক হিসাবে, এই রাষ্ট্রের জনগণ হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিতে লজ্জিত বোধ করছেন।

তিনি বলেন আইন কি শুধু মাত্র দুর্বলের কোমরে দড়ি দেওয়ার জন্য তৈরী হয়েছে?? বিষয়টি চেপে যাওয়ার প্রবনতা প্রশাসন ও মিডিয়ার মধ্যে প্রবল ভাবে দেখতে পাচ্ছি। বিষয়টিতে আনোয়ারা থানার অনাগ্রহ সন্দেহজনক।

১৩ দিন হয়ে যাওয়ার পর ও এই ঘটনার দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি হয় নি। ভূমি মন্ত্রীর নিজের এলাকায় ভূমি দস্যুদের এই কর্মকান্ড। নিরঞ্জন পন্ডিত বলেন যেকোনো সময়ে আপনার নিজের সহায় সম্পত্তি এক রাত্রিতে বেহাত হয়ে যেতে পারে,ঘটনা ঘটার এত দিন পর ও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার ই ইঙ্গিত দেয়। হিন্দু ফাউন্ডেশন,হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের এই বিষয়ে ভূমিকা নিয়ে ও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।