× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক ও গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক)।

সোমবার সুজন সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান ও সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহরের স্বপক্ষে বেশ কিছু যুক্তিও তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে ও ফেরুয়ারি প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিইআরসিতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দাম বাড়ানোর পক্ষে কোনো যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে (ব্যারেল প্রতি মাত্র ৪০ ডলার) জনগণ দেশেও যখন দাম কমার আশা করছিল, ঠিক তখনই তার বিপরীত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণকে হতাশ করেছে সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও গণবিরোধী। এতে বলা হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার প্রায় সবকিছুই জড়িত। তাই এ দুয়ের দাম বাড়লে জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তথা জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে। গ্যাস খাতে সরকারকে কোনও ভর্তুকি দিতে হয় না এবং কোনো লোকসানও নেই। বরং গত পাঁচ বছরে পেট্রোবাংলা যেখানে ২০ হাজার ৮০ কোটি টাকা আয় করেছে, সেখানে গৃহস্থালী কাজে এক বার্নার ও দুই বার্নার চুলায় এক লাফে দু শ’ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের প্রতি নিদারুণ অবিচার। সিএনজির দাম বেড়ে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সরাসরি গণপরিবহনের ওপর। এতে জনসাধারণের মাথাপিছু ভাড়া বেড়ে যাবে এবং পরিবহন খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লসের নামে যে চুরি ও দুর্নীতি আছে তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া উচিত। একই সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দামের সমন্বয় করলে মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চাপ কিছু কমে আসত। কিন্তু জনমুখী সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিপরীত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উল্লেখ, সরকার গত ২৭ আগস্ট বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম যথাক্রমে ২.৯৩ শতাংশ ও ২৬.২৯ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। তবে সেচ ও লাইফ লাইন (৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) বিদ্যুতের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..