ক্রয়কৃত জমি চাষে প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার রংপুরের রমেন বর্মনের পরিবার

ক্রয়কৃত জমি চাষে প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার রংপুরের রমেন বর্মনের পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা(রংপুর): রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলাধীন যমুনেশ্বরী নদীর তীরবর্তী মিলনপুর ইউনিয়স্থ মকিমপুর মৌজার স্থায়ী বাসিন্দা কৃষি নির্ভর পরিবার কর্তা শ্রী রমেন চন্দ্র বর্মণের ক্রয়কৃত জমিতে পুত্ররা চাষাবাদ করতে গিয়ে নিয়মিত নির্যাতিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রমেনের পুত্র শ্রী সুকুমার চন্দ্র।

ঘটনার দিন ৪ জুন সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে মিঠাপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ শ্রী সুকুমার চন্দ্র বলে জানিয়েছেন অত্র ইউনিয়নস্থ বিট পুলিশ অফিসার-এসআই(নিঃ)মোঃ মাহবুবর রহমান মন্ডল।

দায়েরকৃত অভিযোগের বর্ণনামতে জানা যায় যে, শ্রী রমেন চন্দ্র বর্মন তার ক্রয়কৃত তফসীল বর্ণিত জমি দীর্ঘ ভোগদখল করে আসিতেছে।

ঘটনার দিন সকাল অনুমান ৯.০০ঘটিকায় বিবাদী(জমি বিক্রয়কারী পরিবারের সদস্যরা) মোঃ সৈয়দ আলী, আতিয়ার, আজাদুল, জাফর, নুর আলম, শাহ আলমগণ বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্যকরে; শান্তি-শৃঙ্খলা পরিপন্থীমূলক আচরনে লিপ্ত হয়ে জোর পূর্বক সম্পত্তিতে সংরক্ষিত বাঁশ-গাছ কেটে ফেলে এবং পান চাষাবাদের-বর ভাংচুর করিয়া অনুমান ৪০,০০০/-(চল্লিশ হাজার) টাকার ক্ষতি সাধন করে। সুকুমার ও তার ভাই সুজিত বাধা দিতে গেলে নিযার্তনের শিকার হয়।

এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে, সুকুমার-তার পরিবার ও উপস্থিত স্থানীয়রা জানান যে, অত্র গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা শ্রী রমেন চন্দ্র বর্মন পর্যায়ক্রমে চারটি দলিলমূলে মোট ৮৫(পঁচাশি) শতক জমি ক্রয়করে ২০০০সাল হইতে নিয়মিত কৃষি বিভিন্ন চাষাবাদ করে আসছে। কিন্তু বিক্রয়কারী পরিবারের কলহবাজ-লোভী অভিযুক্ত মোঃ আজাদুল হক অহেতুক- মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে হঠাৎ বিগত মাসে বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, রংপুরে একখানা আর্জি দাখিল করেন; যাহার মিছপিটি নং-৩৩৪/২১ এবং বিজ্ঞ আদালতের কার্যবিধি অনুযায়ী আমরা ২ জুন  উক্ত নোটিশ প্রাপ্তির পর হইতে বিজ্ঞ আদালত ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার সহিত সকল শর্তাবলি যথাযথ মান্য করে চলছি। এমতাবস্থায়, ঘটনার দিন অভিযুক্তরাই আইন অমান্যকরে শান্তি শৃংখলার পরিপস্থী মূলক আচরনে লিপ্ত হয়।

আরও জানান যে, ঘটনাস্থলে সুকুমারকে ব্যাপক ধাক্কা-ধ্বাক্কি, মার-ধর করা হয়, মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মাথার উপরে লাঠি তুলে ভয়ভীতি প্রদর্শণ চলমান অবস্থায় সুকুমার ও তার ভাই সুজিত প্রাণে বাঁচার জন্য নিজ বাড়ীর দিকে দৌড়ে যেতে থাকলে পিছন দিক হতে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফ মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে উচ্চস্বরে জীবন-নাশের শ্নোগান দিতে দিতে সুকুমারদের উঠান পর্যন্ত ধাওয়া করে আল্টিমেটাম দিয়ে যায়।

এবং সুকুমার ও তার পরিবারের সদস্যরা স্বীকার করে যে, পরক্ষণে মিঠাপুকুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানা পুলিশের সহযোগিতায় স্বল্প সময়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় অভিযোগ দায়ের সম্পন্ন সম্ভব হয়, এবং ঘটনাস্থল অত্র বিট পুলিশ অফিসার পরিদর্শন করেন।।

স্থানীয়ভাবে আরও জানা যায় যে, অভিযুক্তরা ঘটনার দিনের সন্ধ্যার পর হইতে ২/৩জন করে দলব্ধভাবে আশ-পাশে সন্দেহভাজন আচরনে ঘোরা-ফেরা করেই চলছে। এদিকে সুকুমারের শরীরে আঘাতের স্থানীয় পল্লী চিকিৎসা গ্রহণ করা হলেও গভীর রাতে ব্যাথার পরিমাণ তীব্র বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয় বলে সংবাদ পাওয়া গিয়াছে।।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Dutta
লেখক / প্রতিবেদক

Dutta

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।