বিশেষ প্রতিবেদক,মু.নজরুল ইসলাম। পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার কোড়ালীয়া বাসী পারভীন আক্তার পারুল
এর ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভিত্তিতে আনন্দ- নিরানন্দের সঙ্গ পায়।নিজে,নিজের মেয়ে ও নিকটাত্মীয়দের মধ্যে মহিলা বা মেয়ে দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলাই হল তার হাতিয়ার। ভূমি দখল ও বিভিন্ন অনৈতি- কার্যের নীরব সাক্ষী এই এলাকার জনগন।
পারভীন আক্তার পারুলের ইচ্ছা ব্যতিরেকে এলাকার গন্যমান্য,জনপ্রতিনিধি সকলেই অসহায় বলে জানা যায়,এলাকার লোক জন পারভীনের সেচ্ছাচারিতার প্রতি নীরব ঘৃনার বহিঃপ্রকাশ এলাকার সকলের সম্মিলিত “মানব বন্ধন”ও সকলের দস্তখত সংযুক্ত জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগের মাধ্যমে।
স্হানীয় বিভিন্ন সূএে জানা যায়,প্রায় দেড়যুগ ধরে কোড়ালীয়ায় পারুলের “ইচ্ছা “সরকারের প্রধানের মুকুট মাথায় দিয়ে ভূমি দখল,মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে মোটা অংকের টাকা আদায়ের রমরমা বানিজ্য করে নিজেকে ক্ষমতাধর রানী হিসেবে নিজের উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দুই উপজেলায়ও পারুলের বেশ পরিচিতি রয়েছে।
বিভিন্ন পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যক্তি সম্মান রক্ষার বিবেনার্থে,নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পারুলের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে আছি কারন দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মামলা দিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব করে দিয়েছে পারুল। জনপ্রতিনিধি সহ স্হানীয় প্রশাসন পর্যন্ত অসহায়ত্ব বোধ করেন। এর কারন জানতে চাইলে জানান,পারুল নিজে সুন্দরী ও স্মার্ট এবং অনেক সুন্দরীর বড় আপা হওয়ায়,পারভীন আক্তার পারুলের ছোট্ট বিষয়েও অনেক বড় প্রশাসনের সুপারিশ আসে আর এই অজ্ঞাত বিনিময়ের জোরে অপ্রতিরোধ্য নিজেকে বেপরোয়া রানী বনেছেন।
ছোটবাইশদা ইউ পি চেয়ারম্যান হাজী আবদুল মান্নান জানান,পারভীন অনেক ছোট্ট বিষয়কে বড় করে করে মামলা সাজানোই ওর কাজ।এ ব্যাপারে আমি সহ রাঙ্গাবালী থানার ও সি পর্যন্ত অবগত আছেন। এলাকার লোক জিম্মিদশা থেকে উত্তরন চায়। করনীয় জানতে চাইলে তিনি জানান এলাকার লোকজনের মিথ্যা মামলা তথা পারুলের সৃৃষ্ট ঝামেলার খড়গ মুক্তির লক্ষ্যে কোর্ট যদি আমার পরিষদ কর্তৃক লিখিত চায় আমি দিব।
পারভীন, পারভীনের মেয়ে ও তার সুন্দরী অনুসারী কর্তৃক বিভিন্ন সময় মিথ্যা মামলায় ভূক্তভোগী মামুন,জুয়েল,আলাল,বেল্লাল,হাজী নজরুল,রফিক,মোহাম্মদ,ইকরাম,নাসি
অভিযুক্ত পারভীন এর কাছে জানতে চাইলে সে জানান, দেশের মধ্যে আমার সাথে দুইটি পরিবারের সাথে অমিল আছে,একটি বাবার অচলাবস্হার জন্য আমার পারিবারিক জমা- জমির আদালত চালাতে হচ্ছে। আর মেয়ের শশুরবাড়ীর সাথে যৌতুক মামলা চলছে এছাড়া কোন লোকজনের সাথে দন্দ্ব নাই।মানব বন্ধন ও জনসাধারনের দস্তখত বিষয়ে জানতে চাইলে,দুই পরিবার ও তাদের আত্মীয় জড়ো করে মানব বন্ধন,জনসাধারনে দস্তখত কিছু বাজার কমিটি করার কথা বলে আর কিছু লোকের নকলকরে আমার বিরুদ্ধে চালিয়ে দিয়েছে।সে আরও জানান আমার জনবল নেইবিধায় বার বার আদালতে আশ্রয় নেই।জনবলের অভাবে আমি এই দুই পরিবার কর্তৃক লাঞ্চিত হয়েছি।
অভিযুক্ত পারভীন এর ব্যাপারে ওসি রাঙ্গাবালী শামসুল আরেফীন জানান,পারভীন অহেতুক মামলা করে মানুষদের হয়রানীর সত্যতা আছে বলে স্বীকার করেন।


