× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

মাদারীপুর প্রতিনিধি

কালকিনিতে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

Ovi Pandey
হালনাগাদ: সোমবার, ৮ মে, ২০২৩
kalkini upazilla

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরী স্থায়ী করণের জন্য এবং এসিআর এ সাক্ষর দিতে কমপক্ষে ১ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাকরি স্থায়ীকরণ করতে এসিআরএ সাক্ষর করতে লাগে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে। কালকিনি সদর ও কালিগঞ্জ এই দুই ক্লাষ্টার মিলে ২৭৮ জন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধ।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, কালকিনি উপজেলাকে ৭টি ক্লাষ্টারে ভাগ করা। তার মধ্যে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম সদর ও কালিগঞ্জ ক্লাষ্টার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সদর ক্লাষ্টারে বিদ্যালয় সংখ্যা ২২টি ও শিক্ষক সংখ্যা ১৫০ জন এবং কালিগঞ্জ ক্লাষ্টারে বিদ্যালয় সংখ্যা ২৫টি আর শিক্ষক সংখ্যা ১২৮ জন। সদর ও কালিগঞ্জ ক্লাষ্টার মিলে মোট বিদ্যালয় সংখ্যা ৪৭টি ও শিক্ষক সংখ্যা ২৭৮ জন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বলেন আমাদের চাকারী জাতীয়করণের জন্য ও এসিআরএর জন্য (শিক্ষকদের গোপন বার্ষিক প্রতিবেদনে) সাক্ষর করাতে এটিও শাহ আলম স্যারকে কমপক্ষে ১ হাজার টাকা দিতে হয়। আর না দিলে আমাদের চাকরী স্থায়ীকরণ হবে না আবার এসিআরএ এটিও স্যার সাক্ষর করবে না। আর তাই শিক্ষকরা স্যারকে টাকা দিতে বাধ্য হয়ে।

টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে সহাকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম বলেন, ভাই আমি কোন টিচারের কাছ থেকে কোন টাকা নেই নাই। আপনি অফিসে আসেন এবং জানেন আমি কোন টাকা নিয়েছি কিনা। কোন টিচার অভিযোগ করলে আমার সামনে নিয়া আসেন এবং প্রমান করেন।

কালকিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ বদিউজ্জামান বলেন, আমার কাছে টাকার নেওয়ার অভিযোগ আসালে আমি এটিওদের কোন টাকা নিতে নিষেধ করেছি। তবে এটিও শাহ আলম টাকা নিয়েছি কিনা আমি জানি না।

টাকা নেওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিংকি সাহার তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি মীর গোলাম ফারুক বলেন, চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য ও এসিআরএর জন্য এটিও শাহ আলম ১ হাজার করে টাকা নেয় আমি জানি না। আর টাকা যদি নিয়ে থাকে এবং প্রমান পাই তা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..