মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ৩০শে মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। ঈদের পরেই বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট খুলবে। তার আগে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৌমিত্র সরদার।
সুপ্রীম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সমানভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
১. সুপ্রীম কোর্টের মাজার গেট ও বার কাউন্সিল গেট কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে যাতে মাননীয় বিচারপতি, বিজ্ঞ আইনজীবী, কোর্ট ও বারের অফিসার ও স্টাফ, রেজিস্টার্ড ক্লার্ক, জুনিয়র আইনজীবী, জার্নালিস্ট এবং পুলিশ ছাড়া অন্য কেউ না প্রবেশ করতে পারে। যদি কোন ক্লায়েন্টের উপস্থিতি একান্ত আবশ্যক হয় সেটা আগেই জানানো শ্রেয় হবে।
প্রবেশমুখেই দেহের তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র রাখতে হবে যাতে উচ্চতাপমাত্রায় ভোগা ব্যক্তিকে ভালো করে বুঝিয়ে কোর্টে প্রবেশ করতে নিরুৎসাহিত করা যায়।
২. বারে প্রবেশের গেট গুলোতে পর্যাপ্ত মোবাইল বেসিন রাখতে হবে যাতে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ভিতরে ঢুকতে পারেন। প্রবেশ পথে ভেজা ম্যাট রাখা যেতে পারে ( যা জীবানুনাশক দিয়ে একটু পরপর ভেজাতে হবে)
৩. বারের প্রতি ফ্লোরগুলোতে আলাদা বেসিন রাখতে হবে। সাথে প্রতি ফ্লোরে পর্যাপ্ত জীবানুনাশক স্প্রে ও স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
৪. কোর্টের মেনসন পদ্ধতি এই অবস্থার জন্য ঝুঁকিপুর্ন। বিকল্প ভাবা সমীচীন।
৫. একটি কোর্টে ১৫ জনের বেশী থাকা উচিত হবে না। বেশী হলে সামাজিক দূরত্ব রেখে চলা যাবে না। একটি বেঞ্চ বা সোফায় ২ জনের বেশী আইনজীবী বসা উচিত হবে না।
৬. বিজ্ঞ আইনজীবীদেরকে অবশ্যই একে অপরের সাথে হাত মেলানো, কোলাকুলি বা এ জাতীয় স্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭. কোর্টের প্রতি ফ্লোরে হাত ধোয়ার জন্য মোবাইল বেসিন রাখতে হবে। সাথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
উপরোক্ত বিষয়ে আমি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয় ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির
সম্মানিত সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি বৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
সর্বোপরি আমরা আমাদের নিজেদের সাথে সবাই সব সময় মাস্ক রাখবো ও হাতে সর্বদা গ্লোভস পরব। সম্মিলিত প্রয়াসের ফলেই আমরা করোনা জয় করব। সবাই ভালো থাকবেন।



