এমআরটি লাইন-১ থেকে রামপুরা স্টেশন বাদ দেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর

এমআরটি লাইন-১ থেকে রামপুরা স্টেশন বাদ দেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেট্রোরেল প্রকল্পের এমআরটি লাইন- ১ থেকে রামপুরা স্টেশন নির্মাণ বাদ দেওয়া অথবা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রামপুরা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা। শনিবার (৯ জুলাই ২০২৫) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জমি হারানোর তালিকায় নাম আসা বাড়ির মালিকরা। এদের মধ্যে আছেন শেখ জিয়া উদ্দিন আহমদ, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. তাইজুল ইসলাম, স্বপন আহমেদ, আদিলরুবা বেগম ও তানিয়া আক্তার রিমা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনোয়ার হোসেন শেখ।

তিনি বলেন, এমআরটি লাইন-১ মোট ১২টি স্টেশন আছে। এসব স্টেশনের মধ্যে  আফতাব নগর-রামপুরা-মালিবাগ স্টেশন তিনটি দেড় কিলোমিটারের মধ্যে পড়েছে যা খুব কাছাকাছি। প্রতিটি স্টেশন নির্মাণ করতে তিন হাজার কোটির অধিক টাকা খরচ হবে। তার চেয়ে স্টেশনের সংখ্যা কমিয়ে দিলে লোকজনের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। বরং অনেকের রুটি রুজি বেঁচে যাবে।

রামপুরাবাসী মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের এলাকার স্টেশনটি নির্মাণ না করার দাবি জানিয়ে আসছে। রামপুরা স্টেশন নির্মাণ বাদ দিলে ১৫ টি বাড়ির মালিক জমি হারাবে না। এতে কিছু দোকানপাট বেঁচে যাবে। ৫০০ লোকের কর্মসংস্থান বেঁচে যাবে।

তার পরও তারা প্রস্তাব করেন, কর্তৃপক্ষের কাছে রামপুরা স্টেশন নির্মাণ যদি একান্ত জরুরি বলে মনে হয় তবে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে অথবা পূর্বাচলের ১০০ ও ২০০ ফিটের মধ্যে অনুরূপ জমি দিয়ে পুনর্বাসন করা হোক। এ দাবি জানিয়েছেন তারা।

তারা আরো বলেন, তাদের কে ঢাকার ডিসি ও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ প্রায়ই ডাকে। কিন্তু কোনো সমাধান তারা দিতে পারেন না। রামপুরা এলাকার জমি শতাংশ প্রতি ৫২ ও ৫৩ লাখ, কোনো কোনো স্থানে ৩৬ লাখ ধরেছেন। অথচ সেখানে জমির প্রকৃত মূল্য শতাংশ ১২ কোটি। আমাদেরকে শতাংশ প্রতি ১২ কোটি দিলে আমরা সরকারের কাছে জমি ছেড়ে দিতে রাজি অথবা পূর্বাচলে আমাদের পুনর্বাসন করা হোক।

এসব কথা বলে তারা সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
SDutta
লেখক / প্রতিবেদক

SDutta

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।