× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

ইসি আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বসবে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

ডেস্ক রিপোর্ট: আজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে অপরাধী, সন্ত্রাসী, মাস্তানদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ প্রভাব বিস্তারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে ইসি।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে শুরু হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অব অফিসার, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, এনএসআই, ডিজিএফআই, ডিবি ও কোস্টগার্ড, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সব বাহিনীর প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত থাকবেন।

সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক, আবু হাফিজ, জাবেদ আলী, মো. শাহনওয়াজ এবং ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম ভোট পরিস্থিতি নিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতামত নেবেন ও তা পর্যালোচনা করে নির্দেশনা দেবেন।

ইসি সূত্রে জানা যায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে সন্ত্রাসী, মাস্তান ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার এবং তাদের দৌরাত্ম্য রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে কমিশন। এছাড়া ভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায়  যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, লাইসেন্সধারী বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া এবং ভোটের আগের দিন বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশনা থাকবে। প্রভাবমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বহিরাগতদের অবস্থান ২৮ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে নিষিদ্ধ করা হবে। যেদিন ভোট হবে সেদিন অন্য এলাকার প্রভাবশালীরা থাকলে বা নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করলে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী-অপরাধীদের ধরার বিষয়টি পুলিশের কাজ। তবে আমরা চাই ভোটের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। সেক্ষেত্রে যারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে নিয়োজিত থাকবে তাদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হবে- সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার।

পৌরসভা নির্বাচনে কমিশনের এখনো পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো চিন্তা নেই। র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি দিয়েই পৌর নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। এছাড়া নির্বাচনে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও ব্যাটেলিয়ান আনসার থাকবে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

এছাড়া পৌর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, নির্বাচনপূর্ব শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি, নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন ও সংরক্ষণের নিরাপত্তা বিধান, নির্বাচনী আইন এবং আচরণ বিধি সুষ্ঠুভাবে প্রতিপালনের জন্য পরিবেশ তৈরি করা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তাসহ বেশ কয়েকটি বিষয় আলোচনার জন্য এজেন্ডাভুক্ত করা হয়েছে।

এ বৈঠক করেই রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ ও ডিবির প্রতিবেদন হাতে নেবে ইসি। ভোট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা নিয়ে নিরাপত্তা সদস্য বাড়ানো ও টহল জোরদার হবে বলে সূত্র জানায়।

ঘোষিত তফসিল অনুসারে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ। এতে ১৯টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মেয়র পদে মোট ৯২৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মোট ৩ হাজার ৫৮২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। মোট ভোটার প্রায় ৭২ লাখ। ভোটগ্রহণে নিয়োজিত থাকবেন মোট ৬১ হাজার ১৪৩ জন কর্মকর্তা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..