বিশেষ প্রতিবেদকঃ সুন্দরবনে আজ(মঙ্গলবার) থেকে তৃতীয় দফায় ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে বাঘশুমারি। ২৩৯টি পয়েন্টে ৪৭৮টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ক্যামেরার সামনে রাখা হবে খাবার। পরে ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে বাঘের সংখ্যা নির্ণয় করা হবে।
২০১৩ সালে প্রথম দফায় সুন্দরবনের ২৬ শতাংশ এলাকায় বাঘ শুমারি হয়। ওই সময় বাঘের উপস্থিতি বেশি এমন এলাকাগুলো বেছে নেয়া হয়।
২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সাতক্ষীরা রেঞ্জে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
এবার তৃতীয় দফায় খুলনা ও শরণখোলা রেঞ্জের ৪৭৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে বাঘের সংখ্যা নির্ণয় করা হবে। এরপর তিনটি রেঞ্জের ফলাফল এক সঙ্গে আগামী বছরের প্রথম দিকে প্রকাশ করা হবে।
খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের বন কর্মকর্তা মো. মদিনুল আহসান জানান, এবার বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানে একসঙ্গে বাঘশুমারি শুরু হচ্ছে। একসঙ্গেই রিপোর্ট প্রকাশিত হবে।
২০১০ সালে পরিচালিত এক জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ৪৪০টি বলে উল্লেখ করা হয়। বন বিভাগ এবং ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ যৌথভাবে ওই জরিপ চালায়।


