× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজে আয়নার দায়িত্ব পালন করে – তথ্যমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চীনা ইকোনোমিক জোন শিল্পায়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – অর্থমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক

আজ মহাকাল ভৈরবদেব আবির্ভাব

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
মহাকাল ভৈরবদেব আবির্ভাব

আজ মহাকাল ভৈরবদেব আবির্ভাব। মহাদেব শিবের যতরকম রুদ্র অবতার আছে তন্মধ্যে অন্যতম একটি অবতার হলো মহাকালভৈরব। কাল শব্দের অর্থ ‘মৃত্যু’ আর ভৈরব শব্দের অর্থ ‘ছন্দ’ অর্থাৎ কালভৈরব শব্দের অর্থ মৃত্যুরদেবতা বা কালবিনাশক।

কথিত আছে ব্রহ্মার পঞ্চম মস্তক যা সমূহপাপে আক্রান্ত সেই পাপ ও মস্তক বিনাশ হেতু মহাদেবের নীলতেজ হতে মহাকালভৈরবের আবির্ভাব।

তন্ত্রশাস্ত্র মতে, দেবী মহামায়ার দশঅবতারের একটি যা ‘ভৈরবী’ নামে পরিচিত। সেই ভৈরবীর বামাঙ্গ তথা বামদিক পুরুষরুপই হলো মহাকালভৈরব। শ্মশানের অধিপতি দেবতা হলেন এই মহাকাল ভৈরব। কালী পূজার সময় কাল ভৈরব রূপে মহাকাল রুপি শিবের পূজা করা হয়। তন্ত্রসাধক মহাকাল কে সাধনায় সন্তুষ্ট করে অলৌকিক শক্তি অধিকার করে যার ফলে ভালো ও খারাপ উভয়ের অধিকারী হয়।

দেবাদিদেব মহাদেবের অনেক রুদ্র অবতার আছে । দৈত্য দানব ও অশুভশক্তির বিনাশ হেতু ভগবান জটাধর বিভিন্ন রুদ্ররুপের ব্যাপ্তি ঘটিয়েছেন। পূর্ণ জ্ঞান ও ভক্তি পরিস্ফুটিত না হলে রুদ্রজ্ঞান লব্ধ অসম্ভব তো বটেই। ভগবান মহাদেবের রুদ্রাবতার অতীব ভয়ঙ্কর এবং মহাবিনাশক । ভগবান শিবশঙ্কর যখনই রুদ্ররুপ ধারণ করেছেন ত্রিলোক কোনওনা কোনও দ্বিধায় পড়েছে, কিন্তু পরবর্তিকালে ধরিত্রী পেয়েছে নবপরিচয়। যা একমাত্র মহাকালের লীলাতেই সম্ভব ছিল। ঠিক যেমন অনলে দগ্ধ হয় স্বর্ণ হয় শুদ্ধ ঠিক তেমনই মহারুদ্রের ক্রোধাগ্নিতে দগ্ধ হয় ধরিত্রী হয়েছে শিবভস্ম যা থেকে পরবর্তীতে অঙ্কুরিত হয়েছে শুদ্ধ পবিত্র জ্ঞানবৃক্ষ।

*মহাকাল ভৈরব*

“ওঁ মহাকালং যজেদব্যং দক্ষিণে ধূমবর্ণকম।

বিভ্রতং দন্ড খটাঙ্গৌ দংস্ট্রাভীমমূখম্ শিশুম্।।

ব্যাঘ্রচর্মাবৃতকটীং তূন্দীলং রক্তবাসসম্।

ত্রিনেত্রমূর্ধং কেশঞ্চ মুণ্ডমালা বিভূষিতম্।

জটাভার লসচ্চচন্দ্র খন্ডমুগ্রং জলন্নিভম্ ।।”

প্রথম মহাবিদ্যা দেবী কালীর ভৈরব মহাকালের রহস্য অতি স্থুল সরলভাবে তা সমাপ্তি কখনোই সম্ভব নয় ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..