× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

আগৈলঝাড়ায় মাদকসেবী স্বামীর যৌতুকের নির্মম শিকার সীমা বেগমের আত্মহত্যার হুমকি

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৮

আগৈলঝাড়া(বরিশাল)সংবাদদাতাঃ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসেবী স্বামীর যৌতুকের দাবি পুরণ করতে না পেরে নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশু কন্যা নিয়ে গৃহবধূ এখন দিন মজুর ভাই-বোনের কাছে আশ্রায় নিয়েছে। এলাকায় বিচার চেয়েও কোন সুফল না পেয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে ওই গৃহবধূ।

উপজেলার বাকাল গ্রামের মৃত তাজেম হাওলাদারের মেয়ে ভুক্তভোগী সীমা বেগম (২৩) জানায়, পাঁচ বছর পূর্বে এসএসসি পরীক্ষার আগে একই উপজেলার পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে মো.সোহাগ সরদারের সাথে সামাজিকভাবে বিভিন্ন উপঢৌকন দিয়ে তার বিয়ে হয়।

বিয়ের কিছু দিন পর জানতে পারে সোহাগ একজন ইয়াবাসেবী, তার সাথে বিয়ের আগে সোহাগ আরও পাঁচটি বিয়ে করেছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন কারণে অকারণে সোহাগ মাদক সেবন করে সীমার উপর নির্যাতন শুরু করে। একইভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে তার আগের স্ত্রী’রা সোহাগের ঘর ছেড়েছে। এরই মধ্যে হাবিবা নামে তাদের ঘরে এক কন্যা শিশুর জন্ম হয়। যার বয়স এখন প্রায় তিন বছর। দাম্পত্য জীবনে প্রতিনিয়ত মারধরের ঘটনায় স্থানীয়রা এলাকায় একাধিকবার শালিশ বৈঠক করলেও তাতে কাজ হয়নি। বরং সীমার উপর নির্যাতন আরও বাড়ে।

এক পর্যায়ে সীমাকে নিয়ে বসবাসের জন্য সোহাগ তাকে ঢাকা নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানেও মাদক সেবন করে সীমার উপর প্রতিনিয়িত চলে নির্যাতন। মাত্র তিন মাস ঢাকায় থেকে স্বামীর অত্যাচারের কারণে শ্বশুর বাড়িতে ফিরে আসে সীমা। সীমা বাড়ি ফিরলে সোহাগ তাকে গাড়ি কিনে দিতে সীমার পিতার বাড়ি থেকে দেড়লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলে। সীমার দিন মজুর ভাই-বোনের পক্ষে এত টাকা জোগার করা অসম্ভব হওয়ায় ওই দেড় লাখ টাকা এনে দিতে পারবেনা বলে জানালে সীমার উপর নেমে আসে নির্যাতনের চরম খর্গ।

যৌতুকের জন্য অমানুষিক নির্যাতনের চিহ্ন শরীরে বয়ে বেড়ানো সীমা স্বামী সোহাগের নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ননা দেয়। স্বামীর নির্যাতনের শিকার থেকে সীমা বেগম প্রানে বাচাতে গত দুই মাস আগে দিন মজুর ভাই ও বিবাহিতা বোনের সংসারে আশ্রায় নিয়েছে। নির্যাতরে প্রতিকার চেয়ে স্বামীর ঘরে ফিরতে সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে নির্যাতিত সীমা বেগম। সোহাগের বংশীয় প্রভাবে স্থানীয় কোন বিচার না পেয়ে দরিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত ভাই বোনের সংসারে নিজেকে অসহায় দাবি করে আত্মহত্যা করার হুমকী দিয়েছে নির্যাতিত সীমা বেগম।

অভিযুক্ত স্বামী সোহাগ ফোনে জানান, তার বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য স্ত্রী নির্যাতনের আনীত অভিযোগ মিথ্যা। পাঁচটি নয় তিনি সীমার আগে দুইটি বিয়ের কথা স্বীকার করে বলেন তিনি মাদক সেবনের সাথে জড়িত না। পারিবারিকভাবে বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার ঘটনা মিমাংসার জন্য বসা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..