রাজিব শর্মা, চট্টগ্রামঃ আনোয়ারা বটতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ মান্নান এর সহযোগিতায় বটতলী ইউনিয়ন ও ভূমি প্রতি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌঃ এম পি এর অনুপ্রেরণা ও সাহায্য-সহযোগিতায়, উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল আলম চৌঃ এর নিপূর্ণ নির্দেশনায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে উন্নয়নের চিত্র সামাজিক মাধ্যমে এক চিত্র তুলে ধরছেন স্থানীয় জনগণ।

সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া ও এর ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে এই নবরুপায়ন আনোয়ারার উন্নয়নের চিত্র প্রকাশ পায়। দেখা যায় ৪নং বটতলী ইউনিয়নের চাপাতলী/ছিরাবটতলী ওয়ার্ডের বড় হালদা’র ছবি, কেউ কেউ এটাকে বালুর ছরাও বলে। হযরত ভোলা শাহ্ (রহঃ)মাজার হইতে সোজা পশ্চিম দিকে প্রায় ১কিলোমিটার বিস্তৃত এই রাস্তাটি যুগযুগ ধরে অবহেলিত অবস্হায় পড়েছিল, কালের পরিবর্তনে অতি সরু এই সড়কটি চাপাতলী ছিরাবটতলী দুই গ্রামের শত শত স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী ও সুর্য্যের হাসি ক্লিনিকের রোগী সহ সকল জনসাধারণের চলাচলের প্রধান সড়কে পরিণত হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
আরো জানা যায়, বিগত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে অানোয়ারা’র অভিভাবক,মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী অালহাজ্ব,সাইফুজ্জামান চৌধুরী (জাবেদ)র একান্ত অাস্হাভাজন ব্যাক্তিত্ব, অধ্যাপক এম,এ,মান্নান চৌধুরী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জনগনের দাবীর প্রেক্ষিতে দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহন করে সরু এই রাস্তাটির উভয় পাশে সংস্কার করে বড় রাস্তায় পরিণত করেন, এবং উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তার পার্শ্বে অতীব জরুরী ড্রেইন নির্মান কাজ শুরু করেন যাহা বর্তমানে ৬০%সম্পন্ন হয়েছে, মাননীয় চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিশ্রুত বদ্ধ হয়েছেন যে, অাগামী ২০১৮ সালের মধ্যেই রাস্তাটির বাকি ড্রেইনের কাজ সম্পন্ন করে ব্রিক সলিনের মাধ্যমে এটিকে একটি চলাচলের সম্পর্ণ উপযোগী রাস্তা হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস পান স্থানীয়রা।

চেয়ারম্যান এম এ মান্নানের এলাকার উন্নয়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ইউ পি নির্বাচনের পূর্বে আমাদের বটতলী এলাকার প্রায় গ্রাম অকেজো ছিল, বর্ষাকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারতো না। চেয়ারম্যান নির্বাচনের আগে আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা তিনি তার প্রতিশ্রুতিতে বর্তমানে ও অনড়। শুধু তাকে আমরা একজন চেয়ারম্যান হিসেবে পায়নি, আমাদের অভিভাবক হিসেবে সবসময় কাছে পেয়েছি। আমাদের বটতলী এলাকার কিছু গ্রাম তাঁর এই উন্নয়নের ধারায় অত্র এলাকার জনগন অাজ সন্তুষ্ট বলে এই প্রতিবেদকে জানান।



