× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

অক্সিজেনের অভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা খাত

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
https://thenewse.com/wp-content/uploads/Covid-19-Lack-of-oxygen.jpg

দেশে আগের চেয়ে ১০ গুণ বেড়েছে করোনা রোগীর জন্য অক্সিজেনের চাহিদা। প্রতিদিন ১৫০ টন করে অক্সিজেন প্রয়োজন হলেও ঘাটতি থাকছে অর্ধেকের বেশি। এক বছর সময় পেয়েও নেয়া যায়নি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। ফলে জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেনের অভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা খাত।

এ অবস্থায় শিল্প খাতে অক্সিজেনের ব্যবহার কমিয়ে সেটা হাসপাতালে দেওয়ার কথা ভাবছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর ভারত থেকে আমদানির পাশাপাশি দেশের ৮ বিভাগে অক্সিজেন প্ল্যান্ট নির্মাণের নতুন পরিকল্পনার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

লড়াইটা বেঁচে থাকার। মুক্ত বাতাসে যখন শ্বাস নেওয়ার সক্ষমতা হারায় ফুসফুস, তখন নল ঝুলে নাকে। মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে বেঁচে থাকার একমাত্র ভরসা কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহ।

করোনায় এ দৃশ্য এখন চিরচেনা। যারা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসছেন, তাদের শতভাগই ভুগছেন শ্বাসকষ্টে। কেউ অক্সিজেনসহ চিকিৎসা পাচ্ছেন, কেউ পাচ্ছেন না। রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে বলছেন, কারও কোনো খবর রাখে না কেউ। একটা রোগী ভর্তির পর বেঁচে আছেন না মারা গেছে সেটা দেখারও কেউ নেই।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা সহকারী আজিজুল হক জানান, রোগীগুলো এখানে আসছে, অক্সিজেনের সমস্যা অনেক রোগীর আছে বলেও জানান তিনি। প্রাথমিকভাবে সবার জন্য অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা কিংবা আইসিইউর মতো জটিলতা এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন বলেন, ‘নো ম্যাজিক ড্রাকসিন, একমাত্র প্রুমেন্ট টেস্ট হচ্ছে অক্সিজেন। সেটাকে যদি আমরা সঠিকভাবে দিতে পারি ইনশাআল্লাহ অনেক রোগী ফেরত আসবে।’

বিএসএমএমইউয়ের অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. নাজমুল করিম বলেন, সেন্ট্রাল অক্সিজেনের সঙ্গে প্রযুক্তি জড়িত, এর সঙ্গে অর্থ জড়িত। প্রযুক্তির সমন্বয় করার জন্য হয়তো কিছুটা দেরি হচ্ছে।’

দেশে বর্তমানে দৈনিক চাহিদা ১৮০ টন অক্সিজেন, দ্রুত চাহিদা বাড়ায় ঘাটতি থাকছে প্রায় অর্ধেক। বর্তমানে ৭৩টি হাসপাতালে আছে অক্সিজেন লাইন। বাকি হাসপাতাল পরিচালকের কাছে চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে। সরকারি বাজেট পেলে হবে ৮ বিভাগে নতুন প্ল্যান্ট স্থাপন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের দেশে যে কয়টা প্রতিষ্ঠান আছে তারা শতভাগ ধারণক্ষমতায় চলছে তারপরও কুল পাচ্ছে না। আমরা তাদের অ্যালাউ করছি ইন্ডিয়া থেকে ইনপুট করার জন্য। নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট প্রতিটি বিভাগে বসানোর জন্য আমরা চেষ্টা করব।

গত ১৩ এপ্রিল ভারত হতে এক সপ্তাহে আমদানি করা হয়েছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..