× Banner
সর্বশেষ
মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী বেনাপোলে জেলা যুবদল নেতা ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি জাপানি বিনিয়োগকারীদের ৩০০ কোটির আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের আহ্বান ববি হাজ্জাজের ৫ আগস্ট উদ্বোধন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত বগুড়ায় জমি বিরোধ; সাবেক সেনাসদস্যকে পিটিয়ে হত্যা পররাষ্ট্র-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকা নিহত

৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ উদ্ধারই জনতা ব্যাংকের প্রধান চ্যালেঞ্জ

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  এননটেক্স নামের এক প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ হাজার ৪০৪ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে জনতা ব্যাংক। নিয়ম ভেঙে এক গ্রাহককেই মাত্র ৫ বছরে এ ঋণ দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি।  যা নিয়ে এখন তোলপাড় ব্যাংকপাড়ায়।

ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদ বলছেন, ওই অর্থ উদ্ধারই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলছেন, আমাদের গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় এখন ১০০ ভাগ কাজের ২০ ভাগই থাকবে ওই অর্থ উদ্ধারকে ঘিরে। সেভাবেই ব্যাংকের ব্র্যাঞ্চকে বলে দেয়া হয়েছে। এটা আমাদের ব্যাংকিং খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ।

নতুন এমডি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে পর্ষদ সভায় বসেছি। বাংলাদেশ ব্যাংকেও অবহিত করা হয়েছে। বিপুল অংকের এই টাকা উদ্ধারে একটি কোর কমিটিও গঠন করা হয়েছে। নিয়মিতভাবে যদি পর্যবেক্ষণ করা যায়, তবে একটি গতি আসবে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী। এটা আমার চ্যালেঞ্জ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকেই এখন জোরালো ভুমিকা পালন করতে হবে।

জানা গেছে, জনতা ব্যাংকের মোট মূলধন ২ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা। মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেয়ার সুযোগ আছে। অর্থাৎ এক গ্রাহক ৭৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পেতে পারেন না। কিন্তু দেয়া হয়েছে মোট মূলধনের প্রায় দ্বিগুণ।

এননটেক্স নামের গ্রুপের ২১টি প্রতিষ্ঠান মাত্র ৫ বছরে বের করে নিয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ। আর এসব প্রতিষ্ঠানের নামে বেনামে অনেকে থাকলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী ইউনুস (বাদল) একাই। তার গ্রুপের নামই এননটেক্স।

হলমার্ক ও বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির পর এটিকেই সাধারণ মানুষের আমানত নিয়ে ভয়ঙ্কর কারসাজির আরেকটি বড় উদাহরণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, এটি একক ঋণের বৃহত্তম কেলেঙ্কারি। ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের সময়কালে এই বিশাল অর্থ ঋণ দেয়া হয়। ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ বছর জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

বিশাল এই কেলেঙ্কারি প্রকাশিত হবার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অবশ্য এক অনুষ্ঠানে জানান, জনতা ব্যাংক একসময় সেরা ব্যাংক ছিল। কিন্তু আবুল বারকাতই ব্যাংকটি শেষ করে দিয়েছেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..