× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

সাড়ে ১০ হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দ্বিতীয় এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (আফটা) অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ চুক্তির সংশোধনীর ফলে আফটার সদস্যভুক্ত দেশগুলোর কাছ থেকে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সংশোধনী অনুমোদন করা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলার কারণে সচিবালয়ের পরিবর্তে সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ সম্পর্কে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম। ব্রিফিংয়ে সচিব জানান, আগের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ চার হাজার ৬৪৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেত। এখন এই সংশোধনী সম্পন্ন হলে ১০ হাজার ৬৭৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পণ্যভেদে ৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

সচিব আরো জানান, এর মধ্যে ভারতের কাছ থেকে পাওয়া যাবে তিন হাজার ৩৮১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা। এ ছাড়া চীনের কাছ থকে দুই হাজার ৩৭২টি পণ্যের এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সুবিধা পাওয়া যাবে তিন হাজার ৭৫৭টি পণ্যে।

এ ছাড়া আফটার অন্য সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে বাকি পণ্যগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

আজকের বৈঠকে বাংলাদেশ পানিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৭-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ইনস্টিটিউটটি ১৯৮৪ সালের এই ধারা অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছিল। এটিকে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইন হিসেবে তৈরি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এটির খসড়ায় আজ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..