× Banner
সর্বশেষ
দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিআইআরএস ও এনআরএস উদ্বোধন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌদির পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করতে চায় সরকার -প্রধানমন্ত্রী প্রগতিশীল ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা অপরিহার্য – পানি সম্পদ মন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কফিল আকামা নবায়ন না করলেও অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে নবায়নের সুযোগ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে – প্রধানমন্ত্রী ‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচি শুরু সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে

সামুদ্রিক মৎস্য, যোগাযোগ ও বন উন্নয়নে ৪২০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

বাংলাদেশের উন্নয়নে তিন প্রকল্পে ৫১ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সামুদ্রিক মৎস্য, যোগাযোগ ও বন উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে জানানো হয়েছে, এ অর্থায়ন বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে। এর ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। তাছাড়া মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয় নেয়া এলাকার উন্নয়নেও ব্যয় হবে।

সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, এ তিন প্রকল্প পল্লী এলাকার লোকজন বিশেষ করে দারিদ্র্য ঝুঁকিতে থাকা লোকজনের দারিদ্র্য বিমোচন করবে। পাশাপাশি এ অর্থায়ন দেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সহনশীলতা বাড়াবে।

সাড়ে ৫১ কোটি ডলারের মধ্যে ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হবে টেকসই বনায়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পে। এ প্রকল্পের আওতায় বনায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি বন ব্যবস্থাপনার উন্নতি করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় ৭৯ হাজার হেক্টর জমিতে গাছের চারা রোপণ করা হবে। বনায়নে উপকূলীয় অঞ্চলকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটির টিম লিডার বিশ্বব্যাংকের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ মাধাবি পিল্লাই বলেন, প্রকল্পের আওতায় উপকূল ও পাহাড়ি এলাকায় বনের ওপর নির্ভরশীল ৪০ হাজার পরিবারে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়া কক্সবাজার এলাকায় প্রকল্পটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় ১০ সংরক্ষিত বনের সুরক্ষায় প্রকল্পে বিশেষ উদ্যোগ থাকবে। টেকসই উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পে ২৪ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পের আওতায় মৎস্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো হবে।

উপকূলীয় ১০ জেলায় প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তা ছাড়া নারী শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পের টিম লিডার মিলেন ডিয়োলগেরভ বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তায় মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..