× Banner
সর্বশেষ
যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, ৩ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত আজ ২ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২ আগস্ট (১৬ শ্রাবণ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  পাইকগাছায় গাজাসহ আটক এক জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড

যশোর শিক্ষাবোর্ডের ‘আইওয়াশ’!

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

যশোর প্রতিনিধি:যশোর শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি’র ফল বিপর্যয়ে যখন সারাদেশে তোলপাড় চলছে ঠিক সেই সময় তদন্ত কমিটি গঠন করে ‘আইওয়াশ’ করছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ! আগামী পরীক্ষায় যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে না কি এটি করা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী যে বিপর্যয়ের মুখে পড়লো তার কী করবে শিক্ষাবোর্ড। গত ৯ আগস্ট এ বছরের এইচএসসি’র ফলাফল প্রকাশিত হয়। যশোর শিক্ষাবোর্ডে সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন ৪৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করে। যা যশোর শিক্ষাবোর্ডের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পাশের হার। এ ধরনের পাশের হার নিয়ে সারাদেশে যখন বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঠিক সেই সময় যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ ইংরেজিতে ‘খারাপ’ পরীক্ষা দেয়ার কথা বলে দায় সেরেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ইংরেজিতে না কি প্রশ্নের ‘অদলবদল’ হয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে অন্য বোর্ডে কেন এই ‘অদলবদল’ হলো না? তাদের পাশের হার কীভাবে এত বেশি হলো?

শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষের এ ধরনের গোঁজামিল দেয়া কথাবার্তার পরও যখন সমালোচনা থামছে না ঠিক সেই সময় মুখ ঢাকতে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশাল এ তদন্ত কমিটি না কি আগামী পরীক্ষার জন্যে সুপারিশ করবে। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এমন ধরনের কমিটি করার দরকার কী? তাতে ক্ষতিগ্রস্থর লাভ-ই বা কী হবে? দায়সারা তদন্ত কমিটি গঠনের খবর জানাজানি হওয়ার পর চারদিকে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে, উত্তরপত্র পুণঃনিরীক্ষণে আবেদন করতে রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এবারই সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা হতে পারে বলে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা বিভাগ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রমতে, এবার যারা পাশ করেছে তাদের অনেকেই প্রাপ্ত ফল মেনে নিতে পারছে না। আবার যারা ফেল করেছে তারাও আবেদন করেছে উত্তরপত্র পুণঃনিরীক্ষার জন্যে। প্রশ্ন উঠেছে, পুণঃনিরীক্ষণে ইংরেজিসহ অন্যান্য বিষয়ের ফল পরিবর্তন হবে তো? না কি মুখ রক্ষা করতে সেখানেও বিপর্যয়ের প্রতিফলন ঘটানো হবে? ভুক্তভোগীদের আশা, উত্তরপত্র পুণঃমূল্যায়নে বিপর্যয় কিছুটা হলেও কাটিয়ে তুলবে শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। আর এটি হলে খুলনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ খানিকটা পাবে। অবহেলিত খুলনাঞ্চলের হতাশা কেটে যাবে কিছুটা হলেও।

শিক্ষাবিদদের অনেকের বক্তব্য, বোর্ডের কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নষ্ট হবে এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বোর্ড কর্তৃপক্ষ যে যুক্তিই দেখাক না কেন। তাদের মতে, প্রশ্নপত্র তৈরির সময়ই শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষকে সতর্ক হওয়া উচিত। যাতে করে প্রতিযোগিতায় অন্য বোর্ড থেকে যশোর বোর্ড পিছিয়ে না থাকে। সব সময় নজর দিতে হবে, অন্য বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা পারলে এখানকার পরীক্ষার্থীদেরও পারতে হবে। সেটি করতে পারলে যশোর শিক্ষাবোর্ডের সুনাম যেমন বাড়বে, তেমনি উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে না হাজার হাজার শিক্ষার্থী


এ ক্যটাগরির আরো খবর..