× Banner
সর্বশেষ
জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী; গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ আন্দোলনে একদিনও দেখিনি, অথচ জুলাইয়ের হোতা হয়ে উঠেছিল – সেতুমন্ত্রী পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত আত্মহত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার প্রিন্স মামুন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৩, মামলা ৩০ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কোটালীপাড়ায় আরডিএ’র ৩টি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

ডেস্ক

ভারতের প্রেসক্রিপশনে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীসহ লাখো মানুষের রক্তে রঞ্জিত শেখ হাসিনার হাত -মাসুদ সাঈদী

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
লাখো মানুষের রক্তে রঞ্জিত
লাখো মানুষের রক্তে রঞ্জিত

ভারতের প্রেসক্রিপশনে খুনি হাসিনা রাতের আঁধারে হাজার হাজার দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান আলেমদেরকে গুলি করে হত্যা করেছিল। শেখ হাসিনার হাত মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর হত্যাকারীসহ হাজারো, লাখো মানুষের রক্তে রঞ্জিত।’ গত ১৭ বছরে ঘটে যাওয়া প্রতিটি জুলুম ও হত্যার বিচার চাই, কাউকে ক্ষমা করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিরোজপুরের নাজিরপুরে শাঁখারীকাঠি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৩ সালে তথাকথিত ওই ক্যাঙারু ট্রাইব্যুনাল থেকে আল্লামা সাঈদীর মিথ্যা মামলার রায় দিয়েছিল, সেই প্রতিবাদে যখন সারা বাংলাদেশ ফুঁসে উঠেছিল তখন ভারতের প্রেসক্রিপশনে ওই কোরআন প্রেমিক জনতার বুকে খুনি হাসিনার নির্দেশে গুলি করে তিনশ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ৫ মে শাপলা চত্বরে এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান আলেম সমাজ একত্রিত হয়েছিল নাস্তিকদের বিচারের দাবিতে। তখন

মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘আমার বাবার হত্যাকারীসহ গত ১৭ বছরে ঘটে যাওয়া প্রতিটি জুলুম ও হত্যার বিচার চাই। যারা ফাঁসির দড়ি নিয়ে মিছিল করেছে তাদের বিচার চাই। আমরা কাউকে ক্ষমা করিনি, কাউকে ক্ষমা করা হবে না। তবে যারা পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে চাপের মুখে ব্যক্তিগত সম্পদ রক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি বাঁচানোর জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছেন তাদের সাধারণ ক্ষমা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছিল হত্যার মধ্য দিয়ে। এ আওয়ামী লীগের শেখ মুজিব ১৯৬৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার শাহেদ আলীকে সংসদে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। আওয়ামী লীগের ইতিহাসই ছিল হত্যার ইতিহাস, ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশের গর্ব, অহংকার সেনাবাহিনীর ৫৭ জন গর্বিত সন্তানকে তারা হত্যা করেছিল, একটি যুদ্ধেও এত সংখ্যক অফিসার শহীদ হয়নি।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতে আমির অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জাল হোসেন ফরিদী, নায়েবে আমির আব্দুর রব, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক, জেলা জামায়াতের সদস্য ড. আব্দুল্লাহীল আল-মাহামুদ, উপজেলা আমির আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি কাজী মো. মোসলেউদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ইয়ার্স ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ মোল্লা, সাবেক ছাত্রনেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রশিবির সভাপতি আবু হানিফ শেখ প্রমুখ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..