× Banner
সর্বশেষ
বিরোধীদের সমালোচনার মাঝেও মোদীর পাশে NDA শরিকরা, প্রশংসায় পবন কল্যাণ ও নাইডু এমবিউমোর জোড়া গোলে স্ন্যাপড্রাগন কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টারের কাছে ট্রফি হারাল সিটি যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, ৩ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত আজ ২ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২ আগস্ট (১৬ শ্রাবণ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী

পি আই ডি

বাংলাদেশকে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখার আশ্বাস অস্ট্রেলিয়ার সহকারী বাণিজ্য মন্ত্রীর

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩
শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী সিনেটর টিম আয়ার্স।

আজ অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকীর সাথে বৈঠকেকালে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সিডনির কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অফিসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় হাইকমিশনার আল্লামা সিদ্দিকী কৃষি, তৈরি পোশাক শিল্প, রেমিটেন্স, ক্ষুদ্র অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে গত দশকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন। বাংলাদেশের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রশংসা করেন তিনি। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কটন, উল, এলএনজি, অর্থনৈতিক প্রযুক্তি (Fintech), তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত সেবা (ITES) এবং শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সুযোগ রয়েছে বলে আল্লামা সিদ্দিকী উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের হাইকমিশনার অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য বিষয়ক সহকারী মন্ত্রীকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ সফরের আহ্বান জানান।

বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের দক্ষ ও টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা এবং উৎপাদনশীলতাসহ শ্রমিকদের কল্যাণার্থে এ খাতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় তুলে ধরেন। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে গৃহীত সংস্কারমূলক কর্মসূচি এবং অধিক গ্রিন ফ্যাক্টরি স্থাপন, নারী-পুরুষ সমতা নিশ্চিতকরণ, উপযুক্ত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বিজিএমইএ’র ইএসজি অর্জনের লক্ষ্যের বিষয়টিও তিনি অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সহকারী মন্ত্রী টিম আয়ার্স বাংলাদেশকে অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতা ও বাংলাদেশের উৎপাদকদের দৃঢ় বাণিজ্যিক সম্পর্ক এ শিল্পকে বহুমূখীকরণে সহায়তা করছে। তিনি আরো বলেন, বিদেশি অংশীদারদের সাথে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য এবং সরকারের সম্পৃক্ততার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো টেকসই শ্রমিক ইউনিয়ন এবং শ্রমিক সংগঠন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার উল ও কটন শিল্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন। ২০২১ সালে বাংলাদেশের ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এরেঞ্জমেন্টকে (টিফা) পরবর্তী স্তরে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন টিম আয়ার্স ।

বর্তমানে বিজিএমইএ’র ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অস্ট্রেলিয়া সফর করছেন এবং গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় মেলবোর্নে তৈরি পোশাক শিল্প বিষয়ক সম্মেলনের আয়োজন করেন। এছাড়া আজ সিডনিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যৌথভাবে এক সভার আয়োজন করে। এতে সিডনিতে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতাকে তুলে ধরা হয়। এ সভায় অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতা, ব্রান্ড ও শিল্পপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..