× Banner
সর্বশেষ
মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  পাইকগাছায় গাজাসহ আটক এক জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের নামে কৃষি ক্যাম্পাসের নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি ১৭ বছরে একটি সরকার ক্ষমতায় থেকে লুটপট করে বাংলাদেশ থেকে ২৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে -এসএম জিলানী  গরের বাংলাদেশ সফরের সমাপ্তি, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

ডেস্ক

প্রশান্ত মহাসাগরে সফল উৎক্ষেপণের দাবি বেইজিংয়ের; উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাপান

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরে সফল উৎক্ষেপণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরে একটি পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের ঘোষণা দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি ডামি (অকার্যকর) ওয়ারহেড বহন করছিল এবং এটি পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যস্থলের জলসীমার মধ্যেই নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে।

সোমবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির (PLA Navy) একটি কৌশলগত পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। পরীক্ষাটি পরিকল্পনা অনুযায়ী সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নৌবাহিনী।

চীন জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দেশকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছিল।

এটি সাম্প্রতিক সময়ে চীনের দ্বিতীয় উল্লেখযোগ্য কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দেশটি ১৯৮০ সালের পর প্রথমবারের মতো একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) প্রশান্ত মহাসাগরে পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করেছিল। সর্বশেষ পরীক্ষাটি চীনের সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও জোরদারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে চীন আগেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে অবহিত করেছিল। পরে বেইজিংও এ তথ্য নিশ্চিত করে।

চীনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল তাদের বার্ষিক সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির একটি নিয়মিত অংশ। দেশটির দাবি, পরীক্ষাটি আন্তর্জাতিক আইন ও প্রচলিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে পরিচালিত হয়নি।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (ABC)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান স্টারবোর্ডের প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের দুটি স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং জাহাজের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এসব জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে, জাপানের সংবাদ সংস্থা কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে, টোকিওকে পরীক্ষার বিষয়ে আগাম জানানো হলেও জাপান সরকার এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে বেইজিংকে এমন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কৌশলগত গুরুত্ব

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ (Submarine-Launched Ballistic Missile বা SLBM) একটি দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কারণ সমুদ্রে টহলরত পারমাণবিক সাবমেরিন সহজে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ায়, সংকটকালেও পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বজায় থাকে। ফলে এ ধরনের সফল পরীক্ষা চীনের সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুতগতিতে তার নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্প্রসারণ করছে। এর ফলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

এই প্রতিবেদনটি দৈনিক পত্রিকার আন্তর্জাতিক পাতার উপযোগী ভাষা ও বিন্যাসে প্রস্তুত করা হয়েছে। চাইলে এটিকে আরও বিশ্লেষণধর্মী বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের SEO-উপযোগী সংস্করণেও রূপান্তর করা যাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..