× Banner
সর্বশেষ
সুপ্রিম কোর্টে ২৬৫ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ: সংখ্যালঘু না থাকায় প্রতিক্রিয়া ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও পত্র তৈরি, এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারে হবে আঞ্চলিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার, কমবে মাদক মামলার জট – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্টের ভাষায় বলা হচ্ছে সরকারকে ৫ বছরও যেতে দেয়া হবে না – মির্জা ফখরুল গণমাধ্যমের ওপর কোনো গোয়েন্দা চাপ নেই; দাবি তথ্যমন্ত্রীর বিএনপির নারী এমপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আসিফ মাহমুদ আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেফতার বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই -মির্জা ফখরুল

মন্ত্রণালয় ঘোষিত পোশাক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের শেষ দিন আজ

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
পোশাক শ্রমিকদের বেতন

শ্রম মন্ত্রণালয় ঘোষিত দেশের পোশাক শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের  শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল)। রাজধানীর অনেক পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন নিতে আসেন কর্মস্থলে।

করোনা পরিস্থিতিতে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গেল মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের আল্টিমেটাম দিয়ে গেল ১৩ এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

এদিকে, রাজধানীর অনেক এলাকায় কারখানা শ্রমিকদের বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তা বন্ধ করেও বিক্ষোভ করেন তারা।

এমন অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জটিলতা নিরসের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন- বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক জানান, বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানার ৭৮ ভাগ শ্রমিকের মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।

বিজিএমইএ জানায়, সংগঠনটির সদস্যভুক্ত ২ হাজার ২৭৪টি কারখানার মধ্যে ১ হাজার ১৮৬টি কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। এতে ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১৭ জন শ্রমিকের মধ্যে বুধবার (১৫ এপ্রিল) পর্যন্ত মার্চ মাসের বেতন পেয়েছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ৬শ’ শ্রমিক।

এতে বলা হয়, দু-একটি ছোট কারখানা এখনো বেতন পরিশোধ করেনি। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩৭২টি কারখানার মধ্যে ২০১টি, গাজীপুরে ৮১৮টির মধ্যে ৪৩২টি, সাভার-আশুলিয়ায় ৪৯১টির মধ্যে ২৪৩টি, নারায়ণগঞ্জের ২৬৯টির মধ্যে ১১৮টি, চট্টগ্রামের ৩২৪টির মধ্যে ১৫৬টি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৪২টি কারখানার মধ্যে ৩৬টির বেতন দেয়া হয়েছে।বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ২০ তারিখের মধ্যে সব কারখানার শ্রমিকই বেতন পাবেন। এখনও নগদে বেতন দেওয়া হয় বেশিরভাগ কারখানায়। ব্যাংকের কর্মঘণ্টা কমে আসায় সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া ছোট-মাঝারি কারখানায় বেতন পরিশোধে কিছু সমস্যা আছে। এসব কারখানাকে সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনার কারণে সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে। হাতে কোনো কাজ নেই। অথচ ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কাঁচামাল আমদানির বিল পরিশোধের চাপ আছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..