× Banner
সর্বশেষ
কাঠের তৈরি কুটির শিল্পে কেমিক্যালযুক্ত ড্রাম বিস্ফোরণ,দগ্ধ শিশু শ্রমিকের মৃত্যু নড়াইলের মুলিয়ায় গোপী বিশ্বাস’র এক পা-তেই জীবন সংসার প্রতিবন্ধী জীবনটাই যেন অভিশাপ ঝিনাইদহের ডাকবাংলায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঝিনাইদহে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত যশোর-বেনাপোল মহা সড়কে বিজিবি অভিযানে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণবারসহ আটক-১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর: ভোটাধিকার, বিচার ও গণতন্ত্র নিয়ে নতুন প্রত্যাশা রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার আরও ৪১৮ জুলাই ঘোষণাপত্র পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে টিএসসিতে ছাত্রশিবিরের গণজমায়েত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব সহ ৩ সদস্যর তদন্ত টিম বেনাপোল বন্দরের ২৩ নং শেড পরিদর্শন

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬

বেনাপোল প্রতিনিধি: স্থল বন্দর বেনাপোলের পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ ২৩ নং পন্যাগার নৌপরিবহন মন্ত্রানালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান একই মন্তনালয়ের যুগ্মসচিব সাফায়েত হোসেন সহ ৩ সদস্যর প্রতিনিধি দল  পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১ টার সময় তদন্ত কমিটির দল  বেনাপোল বন্দরের ২৩ নং শেডে প্রবেশ করেন।

এ সময় তার সাথে তদন্ত কমিটির সদস্য স্থল বন্দরের সচিব হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাশকের প্রতিনিধি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া  বেনাপোল স্থল বন্দরের কর্মচারী এম্পপ্লয়ীজ এর সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন মজুমদার, বেনাপোল পোর্ট থানা (তদন্ত )অফিসার ইনচার্জ শামিম আহম্মেদ , যায়ার সার্ভিসের যশোর জেলা ডাইরেক্টর পরিমল দত্ত ও বেনাপোল পোর্টের উন্নয়ন কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম  উপস্থিত ছিলেন। তিনি পুড়ে যাওয়া ২৩ নং শেড এবং বেনাপোল পোর্ট থানার পুড়ে যাওয়া একাংশ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন আমি এবং আমার তদন্ত কামিটির সদস্যরা পুড়ে যাওয়া ২৩ নং শেড পরিদর্শন করলাম ও পর্যবেক্ষন করলাম । কিভাবে আগুন লেগেছে এটা এ মুহুর্তে বলা সম্ভব না। আমরা আজ বেনাপোল আছি আগামিকাল আপনাদের বেলা সাড়ে তিনটার সময় ব্রিফিং দিয়ে জানাব।

২৩ নং পন্যাগারে গত ৯/৯/১৬ ইং তারিখে ও আগুন লাগে। তার রেশ শেষ হতে না হতে আবার ও একই পন্যগারে আগুন লাগায় এলাকায় সন্দেহের দানা বাধতে শুরু করেছ। আবার ঐ পন্যাগারের দায়িত্বে থাকা শেড ইনচার্জ আসাদুজ্জামানের নামে ও ইতিপুর্বে চুরির অভিযোগে বেনাপোল স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি বিভাগীয় মামলা আছে বলে সুত্র জানায়। যার তদন্ত এখন ও চলছে। আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে চুরির মামলা থাকায়  এবং শেড থেকে অনেক  পন্য বাহিরে বিক্রি হওয়ায় সন্দেহের দানা ঘনিভুত হয়েছে ঐ শেড ইনচার্জের আগুন লাগানোর ব্যাপারে কোন হাত আছে কিনা।

উল্লেখ্য গত ২/১০/১৬ ইং তারিখে বেনাপোল স্থল বন্দরের ২৩ নং শেডে আগুন লেগে কাগজ, তুলা, ক্যাবল, হিট কেমিক্যাল, এ্যাসোসিয়েডস গুডস,  কেমিকেল সহ বিভিœন ধরনের আমদানিকৃত প্রায় ১০০ কোটি টাকার উপরে পন্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে ব্যবসায়িরা অভিযোগ করেছে। এ পর্যান্ত ১১৫ টি কনসার্টমেন্টের হিসাব পাওয়া গেছে। বাকি বেনাপোল কাষ্টমস ও বেনাপোল বন্দরের দুটি তদন্তকমিটি হিসাব বের করার জন্য তদন্ত করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..