× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি

নির্মাণের এক বছর হলেও চালু হয়নি বরিশালের শিশু হাসপাতাল

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
বরিশালের শিশু হাসপাতাল

জনবল নিয়োগ না হওয়া এবং বিদ্যুতের সাব স্টেশন নির্মাণ না করায় নির্মাণের একবছর পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি বরিশালের ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল। এসব কারণে বরিশাল মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে ভবন হস্তান্তর করতে না পেরে বিপাকে পরেছেন ঠিকাদার।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মার্চ মাসে নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকায় নতুন ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনও হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। হাসপাতালটি চালু হলে পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ। মেডিক্যালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর বলেছেন, নতুন শিশু হাসপাতাল চালাতে প্রয়োজন ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ একজনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এছাড়া নির্মাণ হয়নি বিদ্যুতের আলাদা সাব স্টেশন।

মেডিক্যালের সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুর আলম বলেন, শিশু হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডকে বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবনের কাজ শেষ হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা বুঝে নিচ্ছে না। তাই অবহেলায় পরে থাকায় শিশু হাসপাতাল চালুর আগেই অনেক মালামাল চুরি হচ্ছে।

বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালে বরিশাল শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মাণ শুরু হয়ে ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথাছিলো। তবে নানা জটিলতায় তা কয়েক বছর দেরি হয়। বর্তমানে বরাদ্দের অভাবে বাকি কাজগুলো করানো যাচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..