× Banner
সর্বশেষ
মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  পাইকগাছায় গাজাসহ আটক এক জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের নামে কৃষি ক্যাম্পাসের নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি ১৭ বছরে একটি সরকার ক্ষমতায় থেকে লুটপট করে বাংলাদেশ থেকে ২৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে -এসএম জিলানী  গরের বাংলাদেশ সফরের সমাপ্তি, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

বৈদিক শাস্ত্র থেকে জেনে নেই আসলে নারদ কেমন ছিলেন

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০
মহর্ষি নারদ

নির্মল সরকারঃ আমরা টিভি সিরিয়ালে বা পৌরাণিক কাহিনীতে মহর্ষি নারদ কে দেখি তিনি “নারায়ণ নারায়ণ” বলেন আর সব সময় অন্যের কান ভারি করেন। তিনি কি সত্যিই এমন ছিলেন? যে নারদ দেবর্ষী, ঋষি, মহর্ষি সেকি আসলেই অমন?
আমাদের ঋষি মহর্ষি এবং নানান বীরপুরুষদের চরিত্র কে নানাভাবে কুলষিত করা হয়েছে কিছু পুরাণে। বর্তমানে বৈদিক সনাতন ধর্মের লোপ পাওয়ার মূল কারণ হলো মালপুরাণ, যে পুরাণে শিবকে কামী বানিয়েছে, শ্রীকৃষ্ণকে ব্যভিচারী-চরিত্রহীন এমনকি  ব্রহ্মা কে  নিজের মেয়ের সাথেও কাম কর্মে লিপ্ত করিয়েছে এই পুরাণ কাহিনী।
আর আজ এই পৌরাণিক সমাজ অন্ধের মতো মেনে চলে সেই সমস্ত ১৮+ পুরাণ। যোগীরাজ শ্রীকৃষ্ণের আপ্ত চরিত্র মহাভারতের মধ্যে পাওয়া যায়। যে শ্রীকৃষ্ণ আজীবন অধর্মের বিরুদ্ধে লড়েছে এবং ধর্মের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। তার একটি মাত্র স্ত্রী ছিল যার নাম রুক্মিণী। যে শ্রীকৃষ্ণ শৌর্য-বীর্য সম্পন্ন এক মহান বৈজ্ঞানিক ছিলেন। তিনি ছিলেন মহাজ্ঞানী, কূটনৈতিক বুদ্ধি সম্পন্ন।
মহর্ষি দয়ানন্দ বলেছেন শ্রীকৃষ্ণ জীবনেও কোনো অধার্মিক কোনো কাজ করেনি। মহাভারতের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ একজন আপ্তপুরুষ মহযোদ্ধা, আর পৌরাণিক কাহিনীতে শ্রীকৃষ্ণ  নানান গোপীদের সাথে কাম, ক্রীড়া আদি কর্মে লিপ্ত!
বৈদিক শাস্ত্র থেকে জেনে নেই আসলে নারদ কেমন ছিলেন __
ছান্দোগ্য উপনিষদের মধ্যে একটি কথন পাওয়া যায়, মহর্ষি নারদ এবং মহর্ষি সনৎকুমারের। একসময় নারদ মুনি সনৎকুমারের কাছে গিয়ে বলেন, হে ভগবান! আপনি আমাকে জ্ঞান দিন, আমি শোক সাগরে ডুবে আছি, তখন সনৎকুমার তাকে বললেন যে তুমি কি কি জানো তা আগে আমাকে জানাও তারপর তোমায় আমি শিক্ষা দেবো।
তারপর মহর্ষি নারদ নিজের জ্ঞাত শিক্ষা সম্পর্কে বলতে থাকেন- তিনি ঋগবেদ- যজুর্বেদ- সামবেদ-অথর্ববেদ, পুরাণ অর্থাৎ ব্রাহ্মণ শাস্ত্র, অর্থশাস্ত্র, গণিত শাস্ত্র , জ্যোতিষশাস্ত্র, জগৎ উৎপত্তি বিজ্ঞান, প্রাণী আদির সম্পর্কে নানান বিদ্যা, নীতি শাস্ত্র, ধনুর্বেদ, ভূত বিদ্যা অর্থাৎ জল, বায়ু, ভূমি আদির বিদ্যা, তর্ক শাস্ত্র পড়েছে। ছান্দোগ্য উপনিষদ ৭/১/১-২/
এত কিছুর জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও মহর্ষি নারদ দুঃখ থেকে পরিত্রাণ পায়নি কারণ সেই মুহূর্তে তার সমস্ত পদার্থ বিদ্যা সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান থাকলেও আধ্যাত্মিক বিদ্যা সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান ছিলনা। যজুর্বেদে ৪০/১১ মন্ত্রের তাৎপর্য ‘যিনি জগৎ সৃষ্টির নানান পদার্থ সম্পর্কে এবং পরমাত্মা সম্পর্কে জ্ঞান অর্থাৎ আধ্যাত্মিক বিদ্যা সম্পর্কে জ্ঞান রাখে তিনিই অমৃতম্ অর্থাৎ মোক্ষ সুখ লাভ করে’।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..