× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে চেকিং এর নামে নিরীহ যাত্রীদের হয়রানি

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

দেবব্রত নাথ জুয়েল, চট্টগ্রামঃ পুলিশ জনগণের বন্ধু। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশ ডিপার্টমেন্টের প্রধান কাজ। অথচ সেই পুলিশই যদি হয় জনগণের আতংক তাহলে নিরীহ জনগণ আর বিচারের জন্য কার কাছে যাবে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেল চট্টগ্রাম সিটি গেইট, সীতাকুন্ড, মীরসরাই, কুমিল্লা সহ বিভিন্ন পয়েন্টে চেকিংয়ের নামে নিরীহ যাত্রীদের চলে হয়রানি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি বলেন চট্টগ্রাম সিটি গেইটের নিকটে দায়িত্বরত পুলিশ হঠাত গাড়ি থামিয়ে বাসে উঠে চেকিং শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার বেগ চেক করতে করতে আমার  ঠিকানা, কি করি জানতে চায়। আমি নিজেকে ছাত্র পরিচয় দিই। আমার শরীর চেক করতে গিয়ে এক পর্যায়ে আমার পকেটে টাকা দেখে আমাকে চুপি চুপি বলে আমাদের কিছু নাস্তার টাকা দেন আপনাকে ছেড়ে দিব। আমি তাদের ১০০ টাকা দিই কিন্তু অন্য একজন আমার পকেটে ৩৫০০ টাকা ছিল তার পুরোটাই নিয়ে নেয়।

একজন মহিলা বলেন তিনি একা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। মীরসরাই পয়েন্টে গাড়ী থামিয়ে চেকিংয়ের সময় সাধারণ পোষাক পরিহিত একজন পুরুষ বাসে উঠে চেক করা শুরু করে। ইউনিফর্ম পড়া পুলিশ তাদের গাড়ীতে বসে ছিল। এক পর্যায়ে আমার কাছে এসে সেই লোকটি জিজ্ঞেস করলো আপনি কি একা যাচ্ছেন? আমি হ্যা বলার পর ঐ লোকটি আমার বেগ চেক করল। সে এমন ভাবে চেক করছিল যেন সে কিছু রেখেছে সেখানে। কিছু না পেয়ে আমাকে বলল আপনি বাস থেকে নামেন আপনাকে মহিলা পুলিশ চেক করবে। আমাকে নামিয়ে পুলিশের গাড়ীর নিকট নিয়ে যায়।

আমি দেখি সেখানে কোন মহিলা পুলিশ ছিলনা সব পুরুষ । তারা আমাকে কিছু নাস্তার টাকা দিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে বলে। আমি প্রতিবাদ করলে এক পর্যায়ে আমাকে ছেড়ে দেয়। এভাবে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে শত শত নিরীহ যাত্রীরা। অন্য  একজন যাত্রী দু:খ প্রকাশ করে বলেন – জনগণের টাকায় জনগণের স্বার্থে পুলিশ অথচ কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সমগ্র পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের হিতার্থে কাজ করবে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..