× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

ডিজিটাল রূপান্তরের ব্যর্থতা কমাতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন -আইসিটি মন্ত্রী

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
ডিজিটাল রূপান্তরের ব্যর্থতা

জর্জিয়ার তিবিলিসিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস ফোরামে (UNPSF) আন্তঃআঞ্চলিক প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ১২টি দেশের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেছেন বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ জর্জিয়ার তিবিলিসিতে আয়োজিত এক বিশেষ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী ককেশাস, মধ্য এশিয়া এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য রিপাবলিক অব কোরিয়ার সরকার, দেশটির স্বরাষ্ট্র ও নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল ইনফরমেশন সোসাইটি, ইউএনডিপি এবং আস্তানা সিভিল সার্ভিস হাবের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় ব্যর্থতার হার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। এই বিশাল ঝুঁকি কাটিয়ে উঠতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, এই ধরনের পিয়ার-টু-পিয়ার এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা (South-South Cooperation) কেবল উন্নয়নের অনুষঙ্গ নয়, বরং উন্নয়নেরই একটি অন্যতম মূল অংশ। এক দেশের সফল সমাধান অন্য দেশের উদ্ভাবন ও অগ্রগতির অনুপ্রেরণা হতে পারে।
এবারের ফোরামের মূল প্রতিপাদ্য ‘Transforming Public Institutions: Advancing Innovation, Accountability, Participation and Inclusion’-এর ওপর আলোকপাত করে মন্ত্রী অন্তর্ভুক্তি, উদ্ভাবন এবং জবাবদিহিতা এই তিনটি প্রধান বিষয়ের ব্যাখ্যা দেন।
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গুরুত্ব উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জনসেবায় দক্ষতা ও মান বাড়াতে এআই-এর যেমন বিশাল সুযোগ রয়েছে, তেমনি এর সুশাসন, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলাদেশ বর্তমানে ইউএনডিপি-এর সাথে যৌথভাবে জনসেবা, নীতি নির্ধারণ এবং স্যান্ডবক্সিংয়ের ক্ষেত্রে এআই-এর ব্যবহারিক দিক নিয়ে কাজ করছে। একই সাথে সীমিত সম্পদের মধ্যে এআই সার্বভৌমত্ব, দায়িত্বশীল ব্যবহার, পক্ষপাতহীনতা এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ।
এরপর মন্ত্রী কম্বোডিয়ার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী Vandeth Chea, আজারবাইজানের এএসএএন ইনোভেশনস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক Vusal Rustamov এবং কাজাখস্তানের ‘আস্তানা সিভিল সার্ভিস হাব’-এর চেয়ারম্যান Alikhan Baimenov এর সাথে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
বৈঠকগুলোতে মন্ত্রী এটুআই এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল অর্জনের সাফল্য তুলে ধরেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ভিত্তিক পরবর্তী ধাপের আধুনিকীকরণে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের আহ্বান জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..