× Banner
সর্বশেষ
পাইকগাছার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে আমুরকাটা বয়ারঝাপা সড়ক সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে -তথ্য উপদেষ্টা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু  সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ তনু হত্যা মামলা; আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য

জৌলুস হারাচ্ছে ভলিবল, কমেছে মান

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৬

স্পোর্টস ডেস্কঃ ক্রিকেট-ফুটবলের জোয়ারের মাঝে এখনো বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে ভলিবল। জনপ্রিয়তার ঘাটতি না থাকলেও দিনে দিনে জৌলুস হারাচ্ছে এই খেলা। সেই সাথে কমেছে খেলার মান।

এর কারণ হিসেবে, সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার লিগগুলোতে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা উঠে না আসায় দিনে দিনে মান কমছে। আর ফেডারেশনের কর্তারা জানালেন, তৃণমূল পর্যায়ে খেলা কমে যাওয়াই খেলোয়াড় কমে যাওয়ার মূল কারণ।

চলছে ১০টি দলের অংশগ্রহণে প্রথম বিভাগ ভলিবল লিগ। গ্রামবাংলায় জনপ্রিয় হলেও ইট-পাথরের নগরীতে অনেক খেলার ভিড়ে অন্তরালেই থেকেছে এই খেলা। তবুও অন্যান্য ফেডারেশনের চেয়ে দেশের ভলিবলের মাঠে যেন আছে একটু ভিন্নতা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় কোনো অর্জন নেই ভলিবলের। তবে, বছরের প্রায় সব সময়ই কোনো না কোনো টুর্নামেন্ট থাকে স্টেডিয়াম পাড়ায় অবস্থিত এই ভলিবল স্টেডিয়ামে।

কিন্তু মাঠে খেলা থাকলেও, আছে সেই খেলার মান নিয়ে প্রশ্ন। দেশের ভলিবলে প্রথম বিভাগের লিগে যে মানের খেলোয়াড় পাওয়া উচিত, সেটি থেকে বঞ্চিত ফেডারেশন। আর এই প্রশ্নে একমত পোষণ করেছেন কোচ ও ফেডারেশনের কর্তারা।

ভলিবল কোচ আব্দুল নাঈম রানা বলেন, ‘আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী টিম আসত ঢাকাতে। সেইগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে খেলার মান ধীরে ধীরে নিচের দিকে চলে গেছে।’

টুর্নামেন্ট কমিটির সেক্রেটারি কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, ‘খেলোয়াড় তৈরি হচ্ছে না। তাই লিগ হচ্ছে না। খেলোয়াড়দের মান বাড়ছে না। খেলোয়াড়ের মান বাড়ে জেলা পর্যায়ে খেলে আসলে। স্পন্সর ভাল হলেই খেলার মান বাড়বে না। খেলোয়াড়দের মান বাড়াতে হলে জেলা পর্যায়ে খেলা ছড়িয়ে দিতে হবে।’

এই পরিস্থিতি উত্তরণে ফেডারেশন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্তা। আর সংশ্লিষ্টরা দিয়েছেন কিছু নির্দেশনা।

টুর্নামেন্ট কমিটির সেক্রেটারি কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, ‘প্রত্যেকটি জেলায় খেলাকে বাধ্যতামূলক করেছি যে, আপনাদের লিগ করতেই হবে। স্কুল শুরু করার পর পরই আমরা আবার শুরু করছি জেলা পর্যায়ের লিগগুলো।’

ভলিবল কোচ আব্দুল নাঈম রানা বলেন, ‘বিশেষ করে ক্লাবগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু করতে হবে। ক্লাবের পর ফেডারেশন, তারপর বিভিন্ন জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে এটা শুরু করতে হবে।’

সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের ভলিবলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে বলেও মনে করেন তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..