× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধাকে অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী চলনবিলে সমন্বিত ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু -বিমান মন্ত্রী রাতের আধাঁরে সামাজিক বনায়নের গাছ লুট বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বে রাজনীতি যেন প্রভাব না ফেলে: প্রধানমন্ত্রী ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময়

চয়ন দে

জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির কর্মসূচি

SDutta
হালনাগাদ: রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

চয়ন দে: বর্তমান সরকার নির্বাচন করার জন্য আসে নাই। এটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়। এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকার জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। তাই জুলাই শহীদদের হত্যার বিচার না করে ও রাষ্ট্র সংস্কার না করে এই সরকার কোনো নির্বাচন দিতে পারে না। নির্বাচন হবে না।

এমন দাবি জানিয়ে রোববার (২৯ জুন ২০২৫ ইং) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আয়াতুল্লাহ হাছানাত বেহেস্তি। তিনি দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিল দলের অন্য নেতাকর্মীরা।

হাছানাত বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই অভ্যুত্থান একটি বীরত্বগাথা, যেখানে ছাত্র-জনতা এবং সর্বস্তরের মানুষ সাম্য, ন্যায় এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের জন্য রক্ত দিয়েছে। এই আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে “সবার উপরে দেশ” এই মূলমন্ত্র নিয়ে ২০ জুন ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।

আসন্ন জুলাই মাসকে আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধা, বেদনা ও প্রত্যাশার সাথে স্মরণ করছি সেই শহীদ ও আহতদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে সুবিচারভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনো বেঁচে রয়েছে। সেই প্রত্যাশাকে ধারণ করে বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি পুরো জুলাই মাস জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

প্রধান কর্মসূচিসমূহ:
১। মশাল মিছিল।
২। সংস্কার, বিচার ও জুলাই সনদের দাবিতে গণ স্বাক্ষর।
৩। আহত এবং নিহতদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকার। ৪। জুলাইয়ের বীর সাংবাদিকদের সম্মাননা।
৫। জুলাইয়ের বীর ফ্যাকাল্টিদের সম্মাননা।
৬। ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদি স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা।
৭। জুলাই উপলক্ষে মেডিকেল ক্যাম্পেইন।
৮। জুলাই এর চিঠি অনুলিপি অ্যাম্বাসি/হাই কমিশনে পাঠানো।
৯। জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ।
১০। বিচারের দাবিতে প্রতীকী কফিন মিছিল।
১১। জুলাইয়ের নারী যোদ্ধাদের আবদানে শীর্ষক আলোচনা কর্মসূচি। ১২। জুলাইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের সহায়তা করা। ১৩। রক্তাক্ত জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।
১৪। দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন।

১৫। রাজনৈতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা।

১৬। আলেম ও উলামাদের নিয়ে জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠান।

১৭। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মৃতিচারণ।

১৮। জুলাই বিজয় র‍্যালি।

বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির দাবীসমূহঃ
১। দ্রুততম সময়ে জুলাই গনঅভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।
২। নিহত ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানার্থে প্রতিটি সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্ত্বস্বাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘জুলা
স্মৃতি কর্ণার’ স্থাপনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানের ডকুমেন্ট আর্কাইভ ও প্রদর্শন করতে হবে।
৩। জুলাইয়ের শহীদ, আহত ও যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মামনা ও খেতাব প্রদান করতে হবে।

৪। রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ সম্পন্ন করে জাতীয় নির্বাচন প্রদান করতে হবে।

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..