মানিক রক্ষিতঃ মাদারিপুরের বাসিন্দা মন্মথ বাড়ৈ-এর পাশে নেই কেউ। দিনে একবেলা ভাত খাবার টাকাও নেই। নারকেল গাছ থেকে পড়ে মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে এই দিনমজুর দরিদ্র হিন্দু লোকটির। টাকা নেই। হাসপাতাল এখনো ভর্তি নেয়নি। যা টাকা ছিল এর আগে চিকিৎসা বাবদ সব খরচ হয়ে গেছে। তার ওপর নির্ভরশীল স্ত্রী-সন্তানেরও করুণ দশা। তার স্ত্রীকে দেখে মনে হলো একাত্তরের শরণার্থী শিবিরের অনাহারক্লিষ্ট এক মা। বছর ত্রিশেক বয়সের মহিলার শরীরের চামড়া শুকিয়ে ঝুলে পড়েছে। স্বামী-সন্তানের সেবা করতে করতে নিঃশেষ হয়ে গেছেন তিনি।
নৈশভ্রমণে চা খেতে গেছিলাম ঢামেক হাসপাতালের সামনে। দূর থেকে মহিলার হাতে সাদা শাঁখা দেখে কাছে গেলাম। শুনলাম তাদের কষ্টের কথা। রাতদুপুরে বাসায় ফিরে তাদের জন্য ভাত, তরকারি ও ৫ লিটার জল নিয়ে আবার গেলাম সেখানে। ছোট বোন দীপা ও তার বর সুজয় অনেক কষ্ট করেছে। ওরা খুব খুশি সামান্য হলেও অসহায় মানুষের সেবা করার সুযোগটুকু পেয়ে।
খাবার পেয়ে মন্মথ কেঁদে ফেললেন। বাচ্চাকে ডেকে বললেন, “কি রে! ওঠ। খেতে চাইছিলি না? এই দেখ খাবার আইছে।” স্ত্রীকে ডেকে ডেকে বললেন, “ওই শুনছিস? এই দেখ দাদারা খাবার নিয়াইছে। ওঠ।” স্ত্রীলোকটির ওঠার শক্তি খুব নেই। কাঁপতে কাঁপতে উঠলো। একটা পাত্রে খাবার ঢেলে খাওয়ার আয়োজন করলো।
সাধারন জনগনের পক্ষ থেকে যতটুকু পারি ততটুকু দিয়ে এই অসহায় হিন্দু পরিবারকে বাঁচাতে ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কি পারি না? যারা সাহযোগিতা করতে চান, তারা বিকাশ করতে পারেন আমাকে 01517-107236 এই নম্বরে। অথবা নির্মল বিশ্বাস (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সবিস, ঢাবি)-কে 01736-255770 -এই নম্বরে। 017362557705(Rocket) এবং DBBL Agent Banking A/C No: 7017015865768(Nirmol Kumar Biswas)
সূত্রঃ সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ