× Banner
সর্বশেষ
স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে বাগেরহাটে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি নেতৃবৃন্দের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার আল্লাহ কেন মোক নেয় না; সন্তানদের অবহেলায় পঙ্গু বৃদ্ধ বাবার আক্ষেপ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৫৮ গ্রেপ্তার; ৬৪টি মামলা দায়ের, উদ্ধার ২৮ লাখ টাকার জালনোট বাজার নিয়ন্ত্রনে বেনাপোল বন্দরে কাঁচা মরিচের প্রথম চালান ঢুকলো সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বেনাপোল পুটখালী সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ২০২ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার  বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ভারতীয় ৭০০ পিচ পন্ডস ফেইস ওয়াশ আটক  যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ১২০ একর জমি ইজারার অনুমোদন জুলিয়ান আলভারেজকে দলে টানতে নতুন কৌশলে বার্সেলোনা, এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক

গ্রাহক ‘হয়রানিতে’ শীর্ষে সোনালী ব্যাংক

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদক :    গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগের ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং, ঋণ, কার্ড, রেমিট্যান্স, মোবাইল ব্যাংকিং, ট্রেড বিল, ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্তসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসব অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এর পরই স্থান পেয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের তালিকাসহ গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশ বাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড প্রথম স্থান পেয়েছে। ব্যাংকটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে ৫৬৩টি। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যাংক ব্যাংক লিমিটেড। তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এর অবস্থান প্রথম।

ব্যাংকটির বিরুদ্ধে ৩৭৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে।তালিকার পরের স্থানগুলোতে পর্যায়ক্রমে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।

প্রতিবেদন অনুযাযী, ব্যাংকিং খাতে গত অর্থবছরে আর্থিক অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়ে চার হাজার ৫৩০টি অভিযোগ করেছেন সেবা গ্রহণকারীরা। এর মধ্যে টে‌লি‌ফো‌নে দুই হাজার ৩৮৪টি এবং লি‌খিতভা‌বে দুই হাজার ১৪৬টি অভিযোগ এসেছে।আর আগের অর্থবছ‌রের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৬০০ অভিযোগ বে‌শি এসেছে বলেওউল্লেখ করা হয়।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে গ্রাহকরা মোট তিন হাজার ৯৩০টি অভিযোগ করেছিলেন।বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ এসেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। মোট অভিযোগের ৫৮ দশমিক ৭০ শতাংশই বেসরকারি ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে। ২৮ দশমিক ২৮ শতাংশ অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে। বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

বিশেষায়িত ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ আর ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এসব অভিযোগের সব বাংলাদেশ ব্যাংক নিষ্পত্তি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ব্যাংকিং খাতে গ্রাহক হয়রানি কমাতে প্রতিবছর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্যাংক ও আর্থিকপ্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১১ সালের ১ এপ্রিল গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠন করে।  পরেএর পরিধি বাড়তে থাকায় আরো বৃহৎ পরিসরে একে ঢেলে সাজিয়ে ২০১২ সালে গঠন করা হয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস বিভাগ (এফআইসিএসডি)।

অনিয়ম জানাতেবাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম চলাকালীন  ১৬২৩৬ নম্বরে ডায়াল করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো অনিয়ম ও হয়রানির বিরুদ্ধে গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া ০০৮৮-০২-৯৫৩০২৭৩ নম্বরে ফ্যাক্স করা যায়। অভিযোগ করা যায় ই-মেইলেও bb.cipc@bb.org.bd। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতে কোনো বিষয়ে জানার থাকলে সেটাও জানতে পারবেন গ্রাহকরা।

 

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..