× Banner
সর্বশেষ
দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস ১৭ জেলার নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী

সিরাজ হায়দার ও কুমার দেব

কাশ্মীরের বিভক্ত ভূখণ্ড: ভারত-পাকিস্তান-চীনের নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তব ইতিহাস

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
কাশ্মীরের বিভক্ত ভূখণ্ড

কাশ্মীরের বিভক্ত ভূখণ্ড: ভারত-পাকিস্তান-চীনের নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তব ইতিহাস। কাশ্মীরের তিন টুকরা যথাক্রমে ভারত, পাকিস্তান ও চীন দখল করে আছে। জুম্ম – কাশ্মীর নামে কাশ্মীরের ৪৫ শতাংশ ভারতের দখলে। অপরদিকে আজাদ কাশ্মীর নামে আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট – বালতিস্তানের ৩৫ শতাংশ অঞ্চল গত ৭৮ বছর ধরে দখল করে আছে পাকিস্তান। কাশ্মীরের ২০ ভাগ অঞ্চল আকসাই চীন ও ট্রান্স – কারাকোরাম ট্রাক্ট দখল করে আছে চীন। বাংলাদেশের একদল বঙ্গপাল ভারত কাশ্মীর খেয়ে ফেললো এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে চীন ও পাকিস্তানের অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করে। এদের বিজ্ঞানের ভাষায় সাইকোপ্যাথ বলা হয়।

কাশ্মীরের জন্য কান্নাকাটি , ভারতকে দোষারোপ আর পাকিস্তানকে পীর আউলিয়া, দরবেশ বানানোর যে নষ্ট রাজনীতি শুরু হয়েছে তার অবসান প্রয়োজন।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র জন্ম নেওয়ার মধ্যে দিয়ে স্বাধীন কাশ্মীর দুই ভাগে বিভক্ত হয়। এর পেছনের কারিগর হচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানীরা ১৯৪৭ সালে হঠাৎ করেই স্বাধীন কাশ্মীরে সামরিক অভিযান চালায়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় অতিরিক্ত লোভ থেকে পাকিস্তানীরা প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কাশ্মীর উপত্যকায় হামলা চালায়। এতে তারা কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ শহর বারামুল্লা দখল করে হাজার হাজার নিরীহ মুসলমানকে হত্যা করে। এই ঘটনা অনুসন্ধানে বিবিসির এন্ড্রু হোয়াইটহৈড কাশ্মীর গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া এ্যানজেল রারানিয়া ও টম ডাইকস এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ শাসকদের ভারতীয় উপমহাদেশ ত্যাগের মাত্র দুই মাসের মাথায় পাকিস্তানীরা যে নারকীয়  হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে কাশ্মীর দখল করে নিলো তা বেলুচিস্তান দখলের মতোই পৃথিবীর ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কজনক অধ্যায়।

কাশ্মীরের জনসংখ্যার তিন – চতুর্থাংশ মুসলিম হলেও তাদের রাজা ছিলেন হিন্দু মহারাজা হরি সিং। সেই রাজ্যের যুবরাজ ছিলেন তার পুত্র করণ সিং। পাকিস্তান ও ভারত দুটো রাষ্ট্র আলাদা হয়ে গেলেও ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট কাশ্মীর একটি স্বাধীন রাজ্য পরিণত হয়েছিল। তারা ভারত ও পাকিস্তান কোন দেশের সাথেই যুক্ত হয়নি। এর মাত্র দুই মাসের কম সময়ে ইসলামের নাম করে পাকিস্তান আজাদ কাশ্মীরে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে তা দখল করে নেয়। পাকিস্তানের এই অতর্কিত আক্রমণের জন্য একবারেই প্রস্তুত ছিলেন না হরি সিং।

আজাদ কাশ্মীর দখল করার জন্য পাকিস্তানীরা কাশ্মীরে এক ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। শুধু কাশ্মীরের মোজাফফরাবাদ ও মিরপুরে ২০, ০০০ হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও শিখদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই আজাদ কাশ্মীর দখল করতে পাকিস্তানীরা ৩৫ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিং তখন কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরের দরবারে বসেছিলেন। তার থেকে মাত্র ৩০-৩৫ মাইল দূরে শ্রীধগর – উরি রোডে পাকিস্তানীরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছিল। পাকিস্তানীদের স্বাধীন রাজ্য কাশ্মীরের উপর রাতের অন্ধকারে এমন নির্লজ্জ আক্রমণ কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিংকে ভারতের সাথে যুক্ত হয়ে যেতে বাধ্য করেছিল। আজাদ কাশ্মীর থেকে জুম্মু কাশ্মীরে পৌঁছানোর পর তিনি সেদিন বলেছিলেন, ” আমরা কাশ্মীরকে হারিয়েছি।”

তাই আর দেরি না করে ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর ” ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশন ” চুক্তি সাক্ষর করে কাশ্মীরের একটা অংশ ভারতের অধীনে যুক্ত হয়ে যায়।

👉ভারত কাশ্মীর দখল করেছে এটা সম্পূর্ণ ভূয়া ও অবাস্তব কথা।

কাশ্মীর দখল করতে ভারত যায়নি, বরং কাশ্মীরের রাজা হরি সিং ভারতের সাথে যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন‌। যার ফলে কাশ্মীর নিয়ে দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ভারত – পাকিস্তান যুদ্ধ চলে এবং কাশ্মীরের ৪৫ শতাংশ এলাকা ভারত, ৩৫ শতাংশ এলাকা পাকিস্তান ও ২০ শতাংশ এলাকা চীন দখল করে নেয়। কাশ্মীরকে টুকরো টুকরো করেছে পাকিস্তান , ভারত নয়। ইতিহাস না জেনেই খাট উলটে পাকিস্তান জিন্দাবাদ হয়ে যায় যারা তাই তাদের বিজ্ঞানের ভাষায় সাইকোপ্যাথ বলা হয়।

আজ ৭৮ বছর ধরে আজাদ কাশ্মীরের মানুষ পাকিস্তান থেকে আলাদা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আজাদ কাশ্মীরের ১৯৪৭ সালে ভারতের জাতীয়তাবাদী নেতা সুভাষ চন্দ্র বসুর ৩৫ হাজার সৈন্যের ” আজাদ ফৌজ” নামক নিজস্ব সেনাবাহিনী ছিলো। পাকিস্তানীরা আজাদ কাশ্মীরকে দখল করেনি, আজাদ কাশ্মীরের মুসলমানদের এখনও পাকিস্তানীরা তাদের দেশের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে রেখেছে। ২০২৬ সালের জুন মাসেও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলায় ৩০ জন নিরীহ কাশ্মীরী মুসলমান নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও শতাধিক মানুষ।

১৯৪৭ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত আজাদ কাশ্মীর মুসলিম কনফারেন্স এর নিয়ন্ত্রণাধীন ছিলো। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত হাজার হাজার নিরীহ মুসলমানকে হত্যা করে পাকিস্তান আজাদ কাশ্মীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৬২ সালে চীন ও ভারত যুদ্ধে ভারতের পরাজয় ও ১৯৬৪ সালে নেহেরুর মৃত্যুর পর ভারতের রাজনীতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠার সুযোগে ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান অতর্কিত ভারতের বিরুদ্ধে হামলা করে বসে এবং যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আজাদ কাশ্মীরের ৬৪০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরবর্তীতে ভারতের সাথে তাসখন্দ চুক্তি করলে ভারত পাকিস্তানকে দখলকৃত ৬৪০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল ফিরিয়ে দেয়। কিন্তু পরাজিত পাকিস্তানীরা তা থেকেও শিক্ষা নেয়নি।

১৯৭০ সালে বাংলাদেশের সাধারণ পরিষদের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে পাকিস্তান তা মেনে না নিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ” ইনস্ট্রুমেন্ট অব স্যারেন্ডার ” এর মাধ্যমে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনের মাধ্যমে পৃথিবীতে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য তখন রীতিমত যুদ্ধ করছে পাকিস্তানের কাশ্মীর, বেলুচিস্তান ও পশতুন প্রদেশের মুসলমানরা। বাঙালিদের মতো তাদের উপরও বছরের পর বছর ধরে ভয়াবহ নির্যাতন করে আসছে পাকিস্তানীরা। ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবর যখন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করলেন তখন কাশ্মীরের মুসলিম কংগ্রেসের নেতা গুলাম আব্বাস রীতিমতো পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন। পাকিস্তানের চাপিয়ে দেয়া ” আজাদ জুম্মু ও কাশ্মীর ” সরকারি আইন বাতিলের দাবিতে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে কাশ্মীরের মুসলমানরাও বাঙালিদের তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বেলুচিস্তানের সাথে পাকিস্তানের ১৯৭৩-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী স্বশস্ত্র যুদ্ধ হয়। এতে হাজার হাজার নিরীহ বেলুচ মুসলমানদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ‌। কাশ্মীরের মুসলমানরাও এখনও পাকিস্তান থেকে একটা আলাদা রাষ্ট্র হতে নিজেদের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।” জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি” করে পাকিস্তান সরকারের চাপিয়ে দেয়া সকল অবিচারের বিরুদ্ধে তাদের মুক্তির সংগ্রাম এখনও অব্যাহত আছে। পাকিস্তান থেকে আজাদ কাশ্মীরকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র করার জন্য কাশ্মীরের মুসলমানরা কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট ( JKLF) ,  ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপলস লিবারেশন আর্মি ও যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি নামে নিজেদের মুক্তির সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে পৃথিবীর ১৯৬ তম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের ঘোষণা করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের ডাক দিয়েছে বেলুচিস্তান। পাকিস্তান নামক অভিশপ্ত রাষ্ট্র থেকে স্বাধীন হওয়ার জন্য পাকিস্তানের পশতুন প্রদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এখনও স্বশস্ত্র সংগ্রাম করে যাচ্ছে তেহরিক- ই – তালেবান ( টিটিপি) , লস্কর -ই- ইসলাম ও হিজবুল – আহরার ও পশতুন  তাহাফুজ মুভমেন্ট ( পিটিএম) নামক স্বশস্ত্র সংগঠনগুলোর হাজার হাজার স্বশস্ত্র যোদ্ধা । রোজ বেলুচিস্তান ও পশতুন প্রদেশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নির্লজ্জের মতো মরছে।

“মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই ”  স্লোগান দেওয়া পাকিস্তানীরা হচ্ছে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। এই পাকিস্তানীরা বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে, আফগানিস্তানে ৫ লক্ষাধিক মুসলমান হত্যা করেছে, ২ লাখ বেলুচ মুসলমানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। সত্তরের দশকে এই পাকিস্তানীরা ” ব্লাক সেপ্টেম্বর” এর নাম দিয়ে ১০ হাজার নিরীহ ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এই পাকিস্তানীদের যারা বন্ধু বলবে তারাই হচ্ছে পৃথিবীতে মানবতার সবচেয়ে বড় শত্রু।

▪️ জলবিদ্যুৎ কাশ্মীরে হলেও কাশ্মীরের মুসলমানদের অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে সেই বিদ্যুৎ কিনতে বাধ্য করে পাকিস্তান সরকার। অর্থাৎ নিজ দেশের কাশ্মীরী জনগণের বিদ্যু আবার তাদের কাছেই উচ্চ দামে বিক্রি করে পাকিস্তানীরা। আমাদের বাঙালিদের সাথেও পাকিস্তানীরা এমন বৈষম্য করতো। আমাদের দেশে তৈরি নিউজপ্রিন্ট পাকিস্তানীদের জন্য ছিল পঞ্চাশ পয়সা , আর বাংলাদেশের মানুষের কাছে সেই নিউজপ্রিন্ট বিক্রি করা হতো দুই টাকায় অর্থাৎ ৪ গুণ বেশি দামে।

▪️ কাশ্মীরের সংবাদপত্র থেকে শুরু করে মিডিয়ার উপর সেন্সরশিপ দিয়ে রেখেছে পাকিস্তান।

▪️ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কাশ্মীরের মুসলমানদের গুম ও অপহরণ করে নির্বিচারে এখনও হত্যা করছে।

▪️ আজাদ কাশ্মীরের মুসলমানদের পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে কোন প্রতিনিধিত্ব ও ভোটাধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

▪️ পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিসে মাত্র ২ শতাংশ কাশ্মীরী মুসলমানের চাকরি জুটে। প্রশাসনের শীর্ষ পদে বাঙালিদের মতো কোন কাশ্মীরের মুসলমানকে এখনও চাকরি দেয়না পাকিস্তান সরকার।

▪️ আজাদ কাশ্মীরের বিধানসভার মাত্র ১২ টি আসন কাশ্মীরের উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত রেখে বাকি ৩৩ টি আসন নিজেদের হাতে রেখে পুতুল বসিয়ে কাশ্মীরকে শোষণ করছে পাকিস্তান।

▪️ পাকিস্তানীরা ২৩ বছরে বাংলাদেশের ৪.৫২ বিলিয়ন ডলার তথা আজকের সময়ের প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশের সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে। পাকিস্তানীরা গত ৭৮ বছর ধরে বেলুচিস্তানের ১ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের খনিজ সম্পদ চীনের সাথে মিলে লুট করে খাচ্ছে। আজাদ কাশ্মীরকে রিসোর্স কলোনী বানিয়ে তাদের শত শত বিলিয়ন রুপির সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে পাকিস্তানীরা।বছরে কাশ্মীর অঞ্চলের ১৮ থেকে ২০ লাখ গাছ তথা ৫১.৮৪ বিলিয়ন রুপির গাছ কেটে কাশ্মীর অঞ্চলকে শ্মশানে পরিণত করেছে পাকিস্তানীরা। পাকিস্তানীদের নির্বিচারে লুটের কারণে কাশ্মীরের ৪০ শতাংশ বনাঞ্চল আজ ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ভারত বিরোধিতার নামে যারা ‘ দিল্লী না ঢাকা ” স্লোগান দিয়ে পেছনে দরজা দিয়ে ইসলামের নামে পাকিস্তান জিন্দাবাদ দেয় তারা বিশ্ব মানবতার শত্রু।এরা গত ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ হারানোর বেদনায় প্যারানয়েড পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার রোগে ভুগছে।এসব ডিলিউশনাল ডিজঅর্ডার মানসিক রোগী হওয়ার জন্য এরা বিভিন্ন সময় ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অযৌক্তিক ও কাল্পনিক গল্প সাজায়। এই নার্সিসিস্টিক গুপ্ত শিবিরের রোগীদের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক মিথ্যাচার হচ্ছে ” কাশ্মীর ” । এরা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না । বেলুচিস্তান , পশতুন ও কাশ্মীরের মুসলমান পাকিস্তানের অত্যাচার ও হত্যা থেকে মুক্তি পাক তাও চায় না।এরা সবসময় তাই ডার্ক ট্রায়াডে ভুগে। এসব মানসিক রোগীদের বাংলাদেশে বিনামূল্যে মানসিক চিকিৎসা ক্যাম্পেইন ও চিকিৎসা প্রয়োজন।। না হলে এসব মানসিক রোগীরা পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশকেও পৃথিবীর বুকে একটি অভিশপ্ত রাষ্ট্র বানিয়ে ছাড়বে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..