× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই-খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মন্ত্রিসভায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

ডেস্ক

কমছে পেঁয়াজের দাম স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ভোক্তারা

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
p

কমছে পেঁয়াজের দাম। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ভোক্তারাতারা বলছেন, পেঁয়াজ পাতা, ফুলকার সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজের চাহিদা কমবে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠলে দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।

দেশের অন্যতম বড় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে (৮ ডিসেম্বর) ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ মান ও আকার ভেদে ৭০-৭৮ টাকা বিক্রি হয়েছে। খুচরায় আকারে বড় ও ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮৫-৯০ টাকা। কয়েকদিন আগেও এ পেঁয়াজ বিক্রি হতো ১০০ টাকা।

কমদামে পেঁয়াজ কিনতে পেরে খুশি রিকশাভ্যানে পেঁয়াজ রসুন আদা ফেরি করা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। আড়তের সামনেই তিনটি রিকশাভ্যানে পেঁয়াজ বাছাই করছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, পেঁয়াজ পচনশীল পণ্য। দেশে যখন ভারত থেকে বেশি পেঁয়াজের ট্রাক ঢুকে তখন আড়তেও দাম কমে যায়। আজ দেখলাম দাম কমে গেছে। ভালো মানের পেঁয়াজ কিনেছি ৭৫ টাকায়। অনায়াসে এ পেঁয়াজ ৯০ টাকা বিক্রি করতে পারবো। পচা-গলা পেঁয়াজ বাদ দিলেও মোটামুটি লাভ থাকবে।

৯৫ নম্বর খাতুনগঞ্জের ঠিকানায় আছে মেসার্স মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়। বেলা দেড়টার দিকে এ আড়তের মূল্যতালিকায় ছিল প্রতিকেজি ভারতের সাউথ ও নাসিক পেঁয়াজ ৭৫-৭৮ টাকা। তুর্কি পেঁয়াজ ৭৩-৭৪ টাকা কেজি। কেরালার আদা ৭৫-৭৮ টাকা, দেশি শুকনা রসুন ২১-২২০ টাকা।

একজন আড়তদার বাংলানিউজকে জানান, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করেন স্থলবন্দর কেন্দ্রিক বেপারিরা। তারা ট্রাকে ট্রাকে পেঁয়াজ আড়তে পাঠান এবং মোবাইল ফোনে দাম জানিয়ে দেন। আড়তদার বিক্রির পর কমিশন রেখে বাকি টাকা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন।

সূত্র জানায়, শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অন্তত ৪০ ট্রাকে ১ হাজার ১৭১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে বাংলাদেশে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েও নিয়মিত আসছে তুরস্ক ও পাকিস্তানি পেঁয়াজ। সব মিলে সরবরাহ ভালো পেঁয়াজের।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের বড় বিপণিকেন্দ্র হামিদউল্লাহ মার্কেট। এ মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বাংলানিউজকে জানান, (৮ ডিসেম্বর) খাতুনগঞ্জে মান ও আকার ভেদে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৭০-৭৮ টাকা বিক্রি হয়েছে। স্থলবন্দর থেকে ৫-৬ টাকা বেশি হয় খাতুনগঞ্জে। বাজারে সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজের দাম কমবে এটা স্বাভাবিক। তাছাড়া পচনশীল পণ্য হওয়ায় পেঁয়াজ বেশিদিন মজুদ করা যায় না।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আশাকরি জানুয়ারিতে পাবনা ফরিদপুরের দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসবে। পেঁয়াজ পাতা, ফুলকার সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়ে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..