× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই-খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মন্ত্রিসভায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

এক দশকেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর পুনর্বাসন

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের দুই নাগরিককে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ঘানায় পাঠানো হয়েছে কিউবার গুয়ান্তানামো কারাগারে এক দশকেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এই দুই বন্দির নাম মাহমুদ উমর মুহাম্মাদ বিন আতিফ এবং খালিদ মুহাম্মাদ সালিহ আল-ধুবি। ২০১০ সালে তাদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ইয়েমেন তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোয় এতোদিন তাদের কারাগারেই কাটাতে হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই বছরের জন্য ওই দুই বন্দিকে ঘানায় পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

এর আগে ৫০টিরও বেশি দেশে গুয়ান্তানামোর বন্দিরা পুনর্বাসিত হলেও ঘানা এই প্রথমবারের মতো গুয়ান্তানামোর দুই বন্দিকে গ্রহণ করেছে।

ঘানার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিৃবতিতে বলেছে, এই দুই ব্যক্তি সন্ত্রাসবাদে জড়িত অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে। তবে তারা ইয়েমেনে ফিরে যেতে সমর্থ্য নয়। দুই বছর পর তারা ঘানা ছেড়ে চলে যেতে পারবে।

প্রসঙ্গত, কিউবায় স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শিবিরে এই কারাগারটিতে দেশটির তথাকথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শত্রু শিবিরের যোদ্ধাদের আটক করে রাখা হত। বন্দিদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই কোনো অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়নি কিংবা তাদের বিচার হয়নি। ২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ওবামা গুয়ান্তানামো কারগারটি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এ লক্ষে ২০০৯ সালে তিনি একটি নির্বাহী আদেশেও স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধীতার কারণে এটি এখনো বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া বন্দিদের  পুনর্বাসনের ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..