× Banner
সর্বশেষ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইবার সক্ষমতা ও দেশীয় উদ্ভাবনে নতুন গতি আনতে হবে – প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে বিজিবিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকে অভিনন্দন জানা‌লো বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় দ্যা নিউজ ডটকমের সড়কের আগাছা পরিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দেনার চাপে আত্মঘাতী বাবা-আইএএস অফিসার হয়ে স্বপ্নপূরণ করলেন মেয়ে

ACP
হালনাগাদ: বুধবার, ১ জুন, ২০২২
আইএএস অফিসার হয়ে স্বপ্নপূরণ করলেন মেয়ে

ভারতে সিভিল সার্ভিস (আইএএস) পরীক্ষায় পাসের পর স্বপ্নের চাকরি পেয়েছেন অরুণা। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেও যেন বার বার এক যন্ত্রণা ঘিরে ধরছে তাকে। খুব মনে পড়ছে বাবার কথা। তাদের পাঁচ ভাইবোনের পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে ধার-দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বাবা। শেষ পর্যন্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে ২০০৯ সালে আত্মহত্যা করেন তিনি।

কিন্তু অরুণা আজ আইএএস অফিসার হয়েছেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে তার মেধাক্রম ৩০৮। এমন আনন্দের মুহূর্তে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অরুণার আক্ষেপ, ‘এই দিনটা দেখে যেতে পারল না বাবা।’ পাঁচবার ব্যর্থ হয়েও ষষ্ঠবার সফল হয়েছেন তিনি। অরুণার বাবা চেয়েছিলেন, মেয়েরা স্বাবলম্বী হবে। ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (ইউপিএসসি) পরীক্ষায়  পাস করে স্বপ্নের চাকরিতে যোগ দেবে। কিন্তু সংসারের অনটনের কারণে তখন যেকোনও কাজই অরুণাদের কাছে প্রয়োজনীয় ছিল।

দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের টুমকুর জেলার বাসিন্দা অরুণা। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়েই তার বাবা আত্মহত্যা করেন। অরুণা বলেন, ‘আমার কোনও স্বপ্ন ছিল না ইউপিএসসি পরীক্ষা নিয়ে। আমি মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করার মতো কাজেই সন্তুষ্ট ছিলাম। কিন্তু বাবার মৃত্যুই আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। আমার স্বপ্ন গড়ে দেয়। বাবার ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টায় নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দিয়েছিলাম।’

২০১৪ সালে প্রথমবার ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসেছিলেন অরুণা। তার পর আরও চারবার। কিন্তু কোনও বারই সফল হতে পারেননি। তবে ষষ্ঠবার আর ফিরে তাকাতে হয়নি অরুণাকে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে সংরক্ষিত আসনের কোনও সুবিধাই নেননি তিনি। অসংরক্ষিত আসনের পরীক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করেছিলেন।

তাকে কোন পদ দেওয়া হবে, তা নিয়ে চিন্তিত নন অরুণা। তার কথায়, ‘আমাকে যে পদই দেওয়া হোক না কেন, আমি মনে করি সব পদেরই সমান ক্ষমতা রয়েছে। তবে বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..