× Banner
সর্বশেষ
ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ আগস্ট যেভাবে হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

অস্ট্রেলিয়ায় চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। ২০০৪ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমানে বেড়ে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশি চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির বিশাল সুযোগ রয়েছে, যা বিলিয়ন ডলারে এগিয়ে নেয়া সম্ভব।

আজ শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সাথে বৈঠককালে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অভ্ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির এক প্রতিনিধিদল এ তথ্য জানান। ঢাকায় শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অভ্ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি ওবায়দুর রহমান, সহসভাপতি নেসার মাকসুদ খান, মহাসচিব শাকিল আহমেদ খান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মহীউদ্দিন আহমেদ মাহিন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, শিল্পখাতে বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সফর বিনিময়ের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ সময় চেম্বারের নেতারা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় তৈরিপোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক ইত্যাদি রপ্তানি করছে। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরিপোশাক রপ্তানি হচ্ছে। নির্ধারিত কমপ্লায়েন্স অনুসরণ করলে অস্ট্রেলিয়ায় চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানিও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে সরকারের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের বাজার প্রসারে চেম্বারের পক্ষ থেকে একক পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে বলে তারা শিল্পমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

শিল্পমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়িক ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণখাতে ইতিমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি বাংলাদেশের চিনি শিল্পখাতে বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে চেম্বার নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশে গুণগতমানের চামড়াজাত পণ্য তৈরি ও মূল্য সংযোজনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়াকে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে চেম্বার নেতাদের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাসায়নিক সার, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, আইটি, ওষুধ ও চামড়া শিল্পখাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। উদীয়মান এসব শিল্পখাতেও অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চাইলে তাদের জন্য পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..